পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় শনিবার তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়ি সহ আট জায়গায় তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।
ইডি সূত্রে খবর, মদন মিত্রের বাড়ি তল্লাশি অভিযানের পর দুটি মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করেছিল ইডি। সেই দুটি মোবাইল ইতিমধ্যেই ফরেন্সিকে পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে।
এছাড়াও মদনের ভবানীপুরের বাড়ি থেকে কয়েকটি অ্যাকাউন্ট সম্পর্কিত তথ্য উদ্ধার হয়েছে। এমনটাই খবর মিলেছে ইডি সূত্রে। এছাড়া, তৃণমূল বিধায়কের দক্ষিণেশ্বরের বাড়ি থেকেও বেশ কয়েকটি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট সম্পর্কিত নথি উদ্ধার করা হয়েছে।
ইডি সূত্রে খবর, একাধিক নথি মিলেছে মদন মিত্রের জোকার ফ্ল্যাট থেকেও। সেখান থেকে বেশ কিছু ব্যবসায়ীর মোবাইল নম্বরও উদ্ধার হয়েছে বলে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে।
ইডি সূত্রে খবর, পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অয়ন শীলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাঁর বাড়িতে একটি ডায়েরি পাওয়া গিয়েছিল। সেই ডায়েরিতেই ‘এমএম’ লেখা ছিল।
ইডি সূত্রে খবর, সেখান থেকেই মদন মিত্রের নাম উঠে আসে। কামারহাটি পুরসভায় কীভাবে দুর্নীতি হয়েছিল সেই সমস্ত বিষয় মদন মিত্রকে জিজ্ঞাসা বাদ করতে চায়। এই মুহূর্তে তিনি ভবানীপুরে রয়েছেন। সেখানেই জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়েছে।
জোকায় বিধায়ক মদনের পুরনো একটি ফ্ল্যাটে এদিন সাতসকালে পৌঁছয় ইডি। দশ বছর আগে এই ফ্ল্যাটে তিনি থাকতেন বলে খবর। সেখানে আজ ইডি-র আধিকারিকরা পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তল্লাশি চালায়।
পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার হয়েছেন বিধাননগরের প্রাক্তন বিধায়ক সুজিত বসু। একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে মধ্যমগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক রথীন ঘোষকে।