এবার ভোলবদল হবে মন্দারমণির! মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার দিঘায় গিয়ে কী নির্দেশ দিলেন শুভেন্দু?
News18 বাংলা | ১৫ জুন ২০২৬
মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার দিঘায় শুভেন্দু অধিকারী। দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের বৈঠকে যোগ দেন তিনি। রবিবারের এই বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
১. দিঘাসহ সৈকত নগরী তাজপুর, শঙ্ককরপুর, মন্দারমণির উন্নয়ন পরিকল্পনা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা ও মেরিন ড্রাইভ সম্প্রসারণ
২. প্রস্তাবিত বন্দর তৈরি নিয়ে আলোচনা
৩. থেমে যাওয়া পুর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের কাজ নিয়ে, আবার উন্নয়ন এর কাজ চালু করা নিয়ে আলোচনা
৪. দিঘা হাসপাতালের উন্নতিকরণ
৫. দিঘা শঙ্করপুর ডেভেলপমেন্ট অথরিটির এরিয়া বাড়ানো হবে
সদ্যই দিঘার জগন্নাথধামের নামবদলের কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এখন আর দিঘার জগন্নাথ মন্দির ‘ধাম’ নয়।পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর তরফে একটা চিঠি নিয়ে এসেছেন পুরীর সাংসদ, ওড়িশা থেকে জগন্নাথ ধামের একটা মূর্তি নিয়ে এসেছেন। আমি ও একটা মা কালীর মূর্তি দিলাম ওঁকে। ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর তরফে যে চিঠি এসেছে, আমি ও মুখ্যসচিব চিঠি স্বীকার করেছি। আগের সরকার অনুমোদন শ্রী শ্রী জগন্নাথ ধাম কালচারাল সেন্টার নাম করেছিল। ধাম শব্দ তুলে দেওয়া হবে। কালচারাল সেন্টার থাকবে।’’
এদিন নজরে ছিল দাদন পাত্রবাড়। গভীর সমুদ্র বন্দরটি তাজপুরে নয়, বরং দাদন পাত্রবাড়ে নির্মিত হবে। নবান্নের সভাকক্ষ থেকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এই ঘোষণা করেন সম্প্রতি। এরপর থেকেই দাদন পাত্রবাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা গেল। আবার সেই সঙ্গে দাবি উঠল পুনর্বাসনেরও। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় গভীর সমুদ্র বন্দর কি এবার বাস্তবের মুখ দেখবে! আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনা, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যে আশার আলো দেখছেন রামনগরবাসী। দাদন পাত্র বাড়ে নতুন গভীর সমুদ্র বন্দর গড়ে উঠলে শুধু রামনগর নয়, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার আর্থসামাজিক পরিবেশ বদলে যাবে বলে অভিমত সাধারণ মানুষের।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলার রামনগরে তাজপুরে গভীর সমুদ্রবন্দর গড়ে তোলার বরাত দেওয়া হয়েছিল আদানি গোষ্ঠীকে। ২২ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর পূর্ব মেদিনীপুরের প্রশাসনিক সভায় তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি জানিয়েছিলেন তাজপুর বন্দরের কাজ শুরু হয়েছে এবং সেখানে প্রচুর কর্মসংস্থান হবে। মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর তাজপুরে গভীর সমুদ্র বন্দর গড়ে তোলার জন্য আদানি গোষ্ঠী অর্থ লগ্নি করবে বলেই দাবি করেছিলেন। তৎকালীন প্রশাসনিক সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী এই প্রকল্পে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। বন্দর গড়ে উঠলেই বদলে যাবে এখানকার জনপদ। সড়ক ও রেলপথ এসে পৌঁছবে সমুদ্রতীরে।