কান ধরিয়ে, কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরানো হল জাহাঙ্গীর খানকে! পুলিশের দাওয়াইয়ে পুষ্পার সব তেজ উধাও
News18 বাংলা | ১৫ জুন ২০২৬
উধাও হয়েছিল ‘পুষ্পা’-র তর্জন-গর্জন, পুনর্নির্বাচনের আগেই লুকিয়েছিলেন জাহাঙ্গীর। ইতিমধ্য়ে পুলিশের জালে জাহাঙ্গীর খান। সূত্র মারফত খবর, ফলতার এই তৃণমূল নেতাকে নেপাল সীমান্ত থেকে গ্রেফতার করেছে রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। এবার হাফপ্যান্টে ‘পুষ্পা’। কান ধরিয়ে, কোমরে দড়ি বেঁধে ফলতার জাহাঙ্গীরকে ঘোরানো হল। যেমন কর্ম তেমন ফল, বলছেন ফলতার মহিলারা।
গ্রেফতার হওয়ার পরেও পুষ্পার বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। ফলতার বাসিন্দা অনিল হালদারের অভিযোগ, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর তাঁকে ডেকে হুমকি দেন জাহাঙ্গীর খান। তাঁর দাবি, শুভেন্দু অধিকারীর সভায় যোগ দেওয়া এবং তাঁর সঙ্গে ছবি তোলার কারণেই তাঁকে নিশানা করা হয়েছিল। অনিল হালদারের আরও অভিযোগ, জাহাঙ্গীর খানের জন্মদিন পালন উপলক্ষে এলাকার ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তোলা আদায় করা হতো।
তিনি নিজেও তিন দফায় ৫০ হাজার টাকা করে মোট দেড় লক্ষ টাকা দিতে বাধ্য হন। অভিযোগ, টাকা না দিলে এলাকায় ব্যবসা করতে দেওয়া হতো না। জাঁকজমকপূর্ণ জন্মদিনের অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিয়মিত এই অর্থ তোলা হতো বলে দাবি তাঁর। এই সমস্ত ঘটনার প্রতিবাদে ১৮ মে ফলতা থানায় জাহাঙ্গীর খানের বিরুদ্ধে তোলাবাজি, মারধর, খুনের চেষ্টা সহ একাধিক মামলায় অভিযোগ দায়ের করেন অনিল হালদার। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।
একসময় যে এলাকা ছিল তৃণমূলের গড়, ভোটের পুনর্নির্বাচনে সেই ফলতাতেই ধরাশায়ী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ব্রিগেড। ফাঁকা ময়দানে শেষ বেলায় এসে সরে দাঁড়িয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। একসময় ‘ভোট করানো’ নেতার খেলা শেষ হয়েছিল আগেই। এবার তাঁর এই পরিণতি দেখে বেজায় খুশি স্থানীয়েরা।