• দিঘা-শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদের বৈঠকে শুভেন্দু, সমুদ্রবন্দর নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা
    প্রতিদিন | ১৫ জুন ২০২৬
  • মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার দিঘায় শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। দিঘা-শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদের বৈঠকে যোগ দেন তিনি। এই বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে। বৈঠকে দাদনপাত্রবাড়ে গভীর সমুদ্রবন্দর নিয়েও কথা হতে পারে বলেই খবর।

    সদ্যই দিঘার জগন্নাথধামের নামবদলের কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এখন আর দিঘার জগন্নাথ মন্দির ‘ধাম’ নয়। এই পরিস্থিতিতে রবিবার বিকেল ৫টা ৪০ মিনিট নাগাদ দিঘা-শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উপস্থিত রয়েছেন কাঁথির সাংসদ সৌমেন্দু অধিকারী, সেচমন্ত্রী অরূপকুমার দাস, রামনগরের বিধায়ক ডঃ চন্দ্রশেখর মণ্ডল, পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক নীরঞ্জন কুমার, জেলা পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা-সহ অন্যান্য বিভাগের আধিকারিকরা। মন্দারমণির কাছে দাদনপাত্রবাড়ে গভীর সমুদ্রবন্দর-সহ দিঘার উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা হতে পারে বলে দাবি প্রশাসনিক মহলের।

    বলে রাখা ভালো, পূর্বতন রাজ্য সরকারের আমল থেকেই শোনা গিয়েছিল তাজপুরে গভীর সমুদ্রবন্দর তৈরি হবে। তার ফলে বদলে যাবে তাজপুরের চেহারা। বাড়বে কর্মসংস্থান। তবে সে প্রকল্প আজও বাস্তবায়িত হয়নি। রাজ্য সরকারের পালাবদলের পর এই বিষয়ে নজর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। করণ আদানির সঙ্গে বৈঠকও করেন। মুখ্যমন্ত্রী জানান, জমি না থাকার ফলে তাজপুরে গভীর সমুদ্রবন্দর হওয়া সম্ভব নয়। বিকল্প হিসাবে দাদনপত্রবাড়ে হতে পারে গভীর সমুদ্রবন্দর। শুভেন্দু জানিয়েছিলেন, “তাজপুরে সরকারের কাছে জমি নেই। তাই সেখানে গভীর সমুদ্রবন্দর হওয়া সম্ভব নয়। তার পরিবর্তে তাজপুর থেকে ১০ কিমি দূরে দাদনপাত্রবাড়ে যেখানে নুনের পুরনো কারখানা ছিল সেখানে ১ হাজার ৭০০ একর জমি রয়েছে। ওই জায়গাটির কথা করণ আদানিকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।” পরবর্তীকালে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে বলেও জানান তিনি। সেই সংক্রান্ত জমি নিয়ে এদিনের বৈঠকে আলোচনা হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)