• কালো টাকা সাদা করতেই কি তৃণমূলের একাংশ ওষুধ কিনেছিল? জোর জল্পনা
    বর্তমান | ১৫ জুন ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ডায়মন্ডহারবারে মাটির তলা থেকে বিপুল পরিমাণ ওষুধ উদ্ধারের ঘটনার পিছনে আসল রহস্য কী, সেটা এখনও স্পষ্ট নয়। তার মধ্যেই কান পাতলে শোনা যাচ্ছে, এসব নাকি তৃণমূলের এক শ্রেণির নেতার কীর্তি। উঠে আসছে একাধিক তত্ত্ব! বিজেপির অভিযোগ, কালো টাকা সাদা করতে এই ওষুধ কেনা হয়ে থাকতে পারে। আবার এমনও শোনা যাচ্ছে, সেবাশ্রয় শিবিরে ওষুধের জন্য কোনো বড়ো ওষুধ ডিস্ট্রিবিউটরের থেকে বিল ছাড়াই এসব কেনা হয়েছিল। শিবিরে যে ওষুধ লাগেনি, সেগুলি কী করা হবে, ভেবে কূলকিনারা না পেয়ে মাটির নীচে পুঁতে দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, বুধবার ডায়মন্ডহারবারের হিংচেবেড়িয়াতে জেসিবি দিয়ে মাটি খুঁড়ে বিপুল পরিমাণ এই ওষুধ উদ্ধার হয়েছিল। পরে ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া ওষুধ পরীক্ষা করে দেখা যায়, বেশিরভাগেরই মেয়াদ ছিল। কে বা কারা এবং কেন এভাবে এত ওষুধ মাটির নীচে পুঁতে রেখেছিল, তা নিয়ে বড়ো রহস্য তৈরি হয়েছে। পুলিশ ও ড্রাগ কন্ট্রোলার থেকে আধিকারিকরা আসেন। উদ্ধার হওয়া ওষুধ নষ্ট করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ড্রাগ কন্ট্রোলারের অফিসের আধিকারিকরা। কিন্তু এই কীর্তি কাদের, সেটাই জানতে উদগ্রীব সবাই। স্থানীয় বিজেপি নেতা উত্তম বাগ বলেন, ‘আমাদের আশঙ্কা, কয়লা, বালির কালো টাকা এই ওষুধ কিনে সাদা করার চেষ্টা হয়েছে। অর্থাৎ, কম দামে ওষুধ কিনে বেশি দামের বিল দেখানো হয়েছে। আবার এমনও হতে পারে যে তৃণমূল নেতারা ধরে নিয়েছিলেন, তাঁরা ক্ষমতায় থাকছেন। তাই সেবাশ্রয় নামে ক্যাম্পের জন্য কোনো সংস্থাকে চমকে কোটি কোটি টাকার ওষুধ কিনে ফেলা হয়েছিল কম দামে। পরে সেগুলি কালোবাজারি করার পরিকল্পনা ছিল। 
  • Link to this news (বর্তমান)