কুরাসাওকে ৭-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল জার্মানি
বর্তমান | ১৫ জুন ২০২৬
জার্মানি- ৭ : কুরাসাও- ১
হিউস্টন: প্রথমার্ধেই ম্যাচের গতিপথ স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। চারবারের বিশ্বকাপজয়ীরা তখন অভিষেককারী কুরাসাওয়ের বিরুদ্ধে ৪-১ ব্যবধানে এগিয়ে। সেই ফারাক আর ঘোচেনি। বরং নবাগত দলকে নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করল জার্মানি। ৭-১ গোলে দাপুটে জয়ে গ্রুপ-ই থেকে অভিযান শুরু জোসুয়া কিমিচ বাহিনীর। অন্যদিকে, বিশ্বকাপের মঞ্চে আবির্ভাব লগ্নে হেরেও প্রশংসা কুড়োল কুরাসাও।
ফেলিক্স মেহচার লক্ষ্যভেদে ষষ্ঠ মিনিটেই এগিয়ে যায় জার্মানি। তবে লিড বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ২১ মিনিটে লিভানো কমেনেনসিয়ার গোলে সমতা ফেরায় কুরাসাও। বিশ্বকাপের মঞ্চে এটাই তাদের প্রথম গোল। তখন মনে হয়েছিল রবিবার এবারের আসরে প্রথম অঘটন না ঘটে যায়! কিন্তু এরপরই লড়াই থেকে হারিয়ে যায় কুরাসাও। যাবতীয় বোঝাপড়া যায় তালগোল পাকিয়ে। মূলত কৌলিন্যের নিরিখে বিপক্ষকে টেক্কা দেয় চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিতেই ম্যাচে জাঁকিয়ে বসে জুলিয়ান নাগেলসম্যানের ছেলেরা। ৩৮ মিনিটে ফের দলকে এগিয়ে দেন নিকো শ্লটারবেক (২-১)। প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে বক্সের মধ্যে ফাউল করা হয় মেহচাকে। পেনাল্টি দেন রেফারি। তা থেকে অনায়াসে ব্যবধান বাড়ান কাই হাভার্ট (৩-১)।
বিরতির পর খেলা শুরুর দু’মিনিটের মধ্যে ফের গোল জার্মানির। এবার স্কোরশিটে নাম তোলেন জামাল মুসিয়ালা (৪-১)। বিশ্বকাপে এটি তাঁর পয়লা গোল। ৬৭ মিনিটে জোরাল ভলিতে দলের পঞ্চম গোলটি করেন নাথানিয়াল ব্রাউন। এটি জার্মানির হয়ে তাঁর প্রথম গোল। ৭৮ মিনিটে জাল জাঁপান ডেনিজ আনডাভ (৬-১)। আর ম্যাচের ৮৮ মিনিটে দ্বিতীয়বার কুরাসাওয়ের জাল কাঁপিয়ে দলের বড় জয় নিশ্চিত করেন হাভার্ট। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে সেমি-ফাইনালে ব্রাজিলের পর ফের ৭-১ গোলে জিতল তারা। গত দু’টি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায়ের পর রবিবারের এই জয় অবশ্যই স্বস্তিতে রাখবে জার্মান অনুরাগীদের।