• লোকালয়ে ভ্যাট বন্ধে হয়নি পদক্ষেপ, রুখলেন স্থানীয়রা
    এই সময় | ১৫ জুন ২০২৬
  • এই সময়, ডানকুনি: লোকালয়ের মধ্যে বছরের পর বছর ধরে জমছিল আবর্জনার ভ্যাট। দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ স্থানীয় লোকজন তৃণমূল পরিচালিত ডানকুনি পুরসভায় একাধিক বার অভিযোগ জানানোর পরেও অস্থায়ী ভ্যাট বন্ধে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি।

    রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল হতেই ডানকুনি পুরসভার ১১, ১২ নম্বর ওয়ার্ডে দিল্লি রোড চৌমাথা লাগোয়া এলাকায় আবর্জনা ফেলা বন্ধ করে দেন স্থানীয়রা। দলমত নির্বিশেষে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আবর্জনা ফেলার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। রবিবার স্থানীয় মানুষের বাধার মুখে পড়ে ভ্যাট ফেলতে এসে ফিরে যায় বেশ কয়েকটি ট্রাক।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অনেক বছর ধরে লোকালয় ও বাজারের মধ্যে অস্থায়ী ভ্যাট চলছে। আশপাশে বাজার, দোকান, স্কুল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও দমকল কেন্দ্র রয়েছে। ফলে, নিত্য মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে। সেই সঙ্গে বাতাসে দূষণ ছড়াচ্ছে বলেও অভিযোগ। কয়েক দিন আগে ভ্যাটে আগুন লেগে যায়। তাতে লোকালয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

    দমকলের দু'টি ইঞ্জিন এসে আগুন আয়ত্তে আনে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, নানা সময়ে স্থায়ী বর্জ্য ফেলার কেন্দ্র তৈরির বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিলেও, সেটা পূরণ করেননি কেউ। তাঁরা দূষণমুক্ত পরিবেশের দাবি তুলেছেন। শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সহ-সভাপতি তথা ডানকুনি পুরসভার প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান দেবাশিস মুখোপাধ্যায় ও সুকান্ত মাজি এ দিন ডানকুনি থানায় গিয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন।

    এ বিষয়ে দেবাশিস বলেন, 'ডোমজুড় বিধানসভার অন্তর্গত নান্না পঞ্চায়েতে ভ্যাট ফেলার জন্য ডানকুনি পুরসভা জমি কিনেছিল। কিন্তু বর্তমান তৃণমূল পরিচালিত ডানকুনি পুরসভার অপদার্থতার কারণে সেখানে ভ্যাট ফেলা চালু করা যায়নি। আমরা এ দিন নাগরিকদের দাবি নিয়ে ডোমজুড় ও ডানকুনি থানায় কথা বলে সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করেছি।'

    সুকান্ত মাজি বলেন, 'দীর্ঘ দিন ধরে ডানকুনিবাসী নরক যন্ত্রণা ভোগ করছেন। আমরা রাজনৈতিক চিন্তার ঊর্ধ্বে উঠে সাধারণ মানুষের সমস্যা মেটাতে উদ্যোগী হয়েছি। পুলিশ প্রশাসন আশ্বাস দিয়েছে।' যদিও এ বিষয়ে ডানকুনি পুরসভার চেয়ারপার্সন হাসিনা শবনমকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

  • Link to this news (এই সময়)