দিল্লিতে তৃণমূল সাংসদদের কৌশলী পদক্ষেপে তোলপাড় রাজনীতি। ঋতব্রতদের দেখানো পথে না হেঁটে ইতিমধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের ২০ বিক্ষুব্ধ সাংসদ ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া বা এনসিপিআই দলে যোগ দিয়েছেন। ২০ সাংসদদের মধ্যেই আছে কলকাতা উত্তরের সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সূত্রের খবর, এই পদক্ষেপের পরই নিরাপত্তা বাড়ল তাঁর। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ওয়াই ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়া হল। বাকি বিক্ষুব্ধ সাংসদদের নিরাপত্তা বাড়তে চলেছে বলেও খবর। জানা গিয়েছে, এনসিপিআই-এর হাওড়ার দপ্তরেও মোতায়েন করা হচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
রবিবারের আগে পর্যন্ত রাজ্যের বেশিরভাগ রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক বা সাধারণ মানুষের কাছেই এনসিপিআই দলটার কার্যত নামই জানতেন না কেউ। কিন্তু মাত্র কয়েকঘণ্টার মধ্যেই জোর চর্চার কেন্দ্রে উঠে এল ‘অপরিচিত’ এই দল। সূত্রের খবর, এই নতুন দলের মূল রাজনৈতিক ফোকাস হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ, অসম ও ত্রিপুরা। সূত্রের খবর, এনসিপিআই-তে যোগ দিলেও বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএ-কেই সমর্থন করবেন বিদ্রোহীরা তৃণমূল সাংসদরা।
এদিকে সোমবারই ফেসবুকে আত্মপ্রকাশ করল এনসিপিআইয়ের নতুন পেজ। এই পেজে নিজেদের পশ্চিমবঙ্গের সবথেকে বড় দল বলে ঘোষণা করেছে তারা। এনসিপিআইয়ের এই নতুন ফেসবুক পেজে তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের স্বাগত জানানো হয়েছে। এই গ্রুপে বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে লোকসভার দলনেতা হিসেবে শুভেচ্ছা জানানো হলে পরে সেই পোস্টটি মুছে দেওয়া হয়। বিদ্রোহী ২০ জন সাংসদকে স্বাগত জানিয়ে আলাদা আলাদা পোস্ট করা হয়েছে। এছাড়াও তারা ঘোষণা করেছে, সংসদে পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে সবথেকে বড় দল এনসিপিআই। একটি গ্রাফিক্স করে পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে। গ্রাফিক্স করে দেখানো হয়েছে, রাজ্যে এনসিপিআইয়ের ২০ জন, বিজেপির ১২ জন, তৃণমূলের ৮ জন, কংগ্রেসের এক জন সাংসদ রয়েছে। অর্থাৎ সংসদে বাংলার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী দল এনসিপিআই।