কলকাতা: বর্ষীয়ান আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই এই মামলা ছেড়ে দিয়েছিলেন। মামলা ছাড়ার সময়ে তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে হাজারও ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। এবার সইজাল কাণ্ডে তৃণমূল কংগ্রেসের মামলা ছাড়লেন বিচারপতি। কালীঘাটে তৃণমূলের পার্টি অফিসে সিআইডি তল্লাশি চ্যালেঞ্জ করে মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের কাছে মামলা পাঠানো হয়েছে। এখন নির্দিষ্ট বেঞ্চে মামলা পাঠাবেন প্রধান বিচারপতি।
তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হেয়ার স্ট্রিট থানার মামলার প্রেক্ষিতে তল্লাশি প্রক্রিয়া, পদক্ষেপ নিয়ে ক্রিমিনাল মামলা করেছেন। সিআইডি তল্লাশি অভিযান চালায় কালীঘাটের তৃণমূল কংগ্রেস অফিসে। দুই ঘটনা একই বিষয়ের, হেয়ার স্ট্রিট ক্রিমিনাল মামলার ওপর। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, বিচারপতি কৌশিক চন্দ বেঞ্চে ক্রিমিনাল মামলার শুনানি হয়েছে, নির্দেশ হয়েছে। ওই আদালতের নজরে রয়েছে পুরো বিষয়টি। তৃণমূলের করা এই মামলার ছেড়ে দিচ্ছে আদালত। সে কারণেই প্রধান বিচারপতির কাছে মামলাটি পাঠানো হল বলে নির্দেশে উল্লেখ করেছেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য।
প্রসঙ্গত, সই-মামলাটি প্রথম থেকেই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সওয়াল করেছেন। অভিষেকের হয়ে হাইকোর্টে সওয়াল করেছিলেন কল্যাণ-পুত্র শীর্ষণ্যও। কিন্তু শেষ শুনানিতে হঠাৎই নাটকীয় পট পরিবর্তন। শুনানির ঠিক আগের রাতেই কল্যাণের ছেলের ফোনে মেসেজ করে অভিষেকের তরফে জানানো হয়েছিল, এই মামলাটি তাঁদের আর সওয়াল করার দরকার নেই। অন্তত সংবাদমাধ্যমের সামনে তেমনই দাবি করেন কল্যাণ ও তাঁর ছেলে। কারণ ‘সার্চ’ ইস্যুতে আরও একটি রিট পিটিশন ফাইল হয়েছে। যেখানে অভিষেকের হয়ে সওয়াল করেছেন আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য। তাতে ক্ষুব্ধ হওয়ার পাশাপাশি অপমানিত বোধ করেন কল্যাণ। তাঁরও দাবি, সার্চ ইস্যুতে যে রিট পিটিশন ফাইল হয়েছে, সেটি সাবজেক্ট ম্যাটার অফ্ ক্রিমিন্যাল ডিভিশন। তার আগে থেকেই সই মামলা, যেটিও ক্রিমিনাল ডিভিশন। সেই একই বিষয়েই জটিলতা।