ফের উত্তরবঙ্গে শুভেন্দু! পাহাড়ের জন্য কী পরিকল্পনা?
আজকাল | ১৬ জুন ২০২৬
আজকাল ওয়েবডেস্ক: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে কার্যত প্রত্যাবর্তন হয়েছে বিজেপি। শক্ত ঘাঁটি আরও মজবুত হয়েছে। উত্তরবঙ্গের আটটি জেলার ৫৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে অধিকাংশই নিজেদের দখল নিয়েছে বিজেপি। সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ পাহাড় আর সেই পাহাড়ে রাজনীতি ইস্যুতে সবচেয়ে বেশি উদ্বেলিত হয়েছে গোর্খাল্যান্ড। পৃথক রাজ্যের দাবিতে বারবার উত্তাল হয়েছে পাহাড়। বারবার উন্নয়নের দাবিতেও সরব হয়েছেন পাহাড়বাসীরা। ফলে উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কাজকর্ম এর গতি বাড়াতে এবার সরাসরি নজর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই উত্তরবঙ্গের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।
দায়িত্ব হাতে পাওয়ার পরে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, প্রতি ১৫ দিন অন্তর উত্তরবঙ্গে যাবেন। সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, আগামীকাল ১৬ জুন ফের উত্তরবঙ্গে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। একদিনের সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী আবার মঙ্গলবারই ফিরে আসবেন। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, মঙ্গলবার সকাল ১১টা নাগাদ কার্শিয়াংয়ের গোখেল মেমোরিয়াল স্কুলে মুখ্যমন্ত্রীর পৌঁছনোর কথা রয়েছে। সেখানে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা উপভোক্তাদের হাতে তুলে দেবেন তিনি। অন্নপূর্ণা যোজনা থেকে শুরু করে আয়ুষ্মান ভারতের কার্ড, এমন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেবেন। সরকারি কর্মসূচির পর দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গেও বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী। কার্শিয়াংয়ের এই বৈঠকে দার্জিলিংয়ের সাংসদ এবং পাহাড়ের তিন বিজেপি বিধায়কের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
মনে করা হচ্ছে আগামীকাল কালকের বৈঠকে পাহাড়ের রাজনীতির অন্যতম মুখ গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সুপ্রিমো বিমল গুরুং এবং সাধারণ সম্পাদক রোশন গিরি থাকবে কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। আগামীকালের বৈঠকে গোর্খাল্যান্ড ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে কিনা সেটাও একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই সমস্যা বহুদিনের। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এর আগে বলেছিলেন বাংলাকে না ভেঙেই গোর্খা সমস্যার একটি সাংবিধানিক সমাধান করা হবে। এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কেন্দ্র দায়বদ্ধ।