• ‘বিদ্রোহী’রা এনসিপিআইয়ের সঙ্গী, নিচুতলায় বাড়ছে কর্মীদের ক্ষোভ, কী বলছেন ‘শঙ্কিত’ আবু তাহের?
    প্রতিদিন | ১৬ জুন ২০২৬
  • কথায় বলে, ‘রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়, উলুখাগড়ার প্রাণ যায়।’ এই প্রবাদ একশো শতাংশ সত্যি বাংলার তৃণমূল কর্মীদের ক্ষেত্রে। তৃণমূল ক্ষমতাচ্যুত হতেই জনপ্রতিনিধিরা নানারকম অজুহাত দেখিয়ে দল থেকে দূরত্ব বাড়িয়েছেন। সরাসরি মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানাও করছেন কেউ কেউ। তবে মাঠে-ঘাটে পরিশ্রম করা কর্মীদের পাশে নেই কেউ। ফলে অধিকাংশই বাধ্য হয়ে ঘরে ‘লুকিয়েছেন’। তবে বিদ্রোহী সাংসদরা এনসিপিআইয়ের মতো অচেনা একটি দলের সঙ্গী হতেই ক্ষোভে ফুঁসে উঠলেন মুর্শিদাবাদের তৃণমূল কর্মীরা। পরিস্থিতি এতটাই উদ্বেগজনক যে সাংসদ আবু তাহের সাফ জানালেন, তিনি বিপদের মধ্যে রয়েছেন।

    ৩ মে পর্যন্ত পরিস্থিতি ছিল একরকম। ৪ মে ভোটের ফল প্রকাশ হতেই রাতারাতি বদলে গিয়েছে বাংলার ছবি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তৈরি তৃণমূল মাস খানেকের মধ্যেই ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে। ‘আখেড় গোছাতে’ তৃণমূলের ৮০ বিধায়কের দুই তৃতীয়াংশই আলাদা হয়ে গিয়েছেন। যার জেরে পরিষদীয় দলের রাশ হাতছাড়া হয়েছে মমতার। একইভাবে ২০ সাংসদ সঙ্গী হচ্ছেন এনসিপিআইয়ের। তাঁদের উদ্দেশ এনডিএর হয়ে কাজ করা। এই পরিস্থিতিতে বিশ বাঁও জলে নিচুতলার কর্মীরা। দীর্ঘদিন তৃণমূলের হয়ে লড়াই করেছেন তাঁরা। কিন্তু তাঁদের মাথায় উপরে থাকা নেতারা রাতারাতি বদলে ফেলেছেন দল। যা মেনে নিতে পারছেন না কর্মীরা। মুর্শিদাবাদের কর্মীরা সাফ জানাচ্ছেন, তাঁরা এলাকার সাংসদদের তৃণমূল ত্যাগের সিদ্ধান্ত মানছেন না। চরমে উঠেছে কর্মীদের অসন্তোষ। এনসিপিআই সন্ধি ভালোভাবে নিচ্ছেন না বিধায়ক আখরুজ্জামানও।

    এদিনে আখরুজ্জামান বলেন, “এই সিদ্ধান্তে আমারা মর্মাহত। আগামিকাল মঙ্গলবার এবিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে কলকাতায় ৬৪ জন বিধায়ক জরুরি আলেচনায় বসবে।” এনসিপিআই যোগ থেকে কর্মী ক্ষোভ, এপ্রসঙ্গে মুর্শিদাবাদের সাংসদ আবু তাহের বলেন, “এবিষয়ে কথা বলার মতো মানসিক পরিস্থিতির মধ্যে নেই আমি। আমরা এখন খুব বিপদের মধ্যে রয়েছি।”  
  • Link to this news (প্রতিদিন)