• দার্জিলিংয়ে পর্যটকদের ভিড়, পিছিয়ে গেল রয়‍্যাল বেঙ্গলের যাত্রা
    প্রতিদিন | ১৬ জুন ২০২৬
  • দার্জিলিংয়ে যানজটে বেঙ্গল সাফারিতে বাঘের যাত্রা পিছিয়ে গেল। পর্যটকদের গাড়ির চাপে গ্রিন করিডর করতে পারছে না কর্তৃপক্ষ। জিনগত সমস্যা দূর করতে দার্জিলিংয়ের পদ্মজা নাইডু হিমালায়ন জুলজিক্যাল পার্ক থেকে একটি রয়‍্যাল বেঙ্গল বাঘিনীকে শিলিগুড়ি বেঙ্গল সাফারিতে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত আগেই নেওয়া হয়েছে। বিনিময়ে বেঙ্গল সাফারি থেকে দার্জিলিং যাবে হলুদ-কালো ডোরাকাটা বাঘিনি। গত বৃহস্পতিবার দার্জিলিং চিড়িয়াখানা থেকে বাঘিনির বেঙ্গল সাফারিতে যাওয়ার কথা ছিল। একই দিনে বেঙ্গল সাফারিতে আসার কথা ছিল অন্য একটি বাঘিনির। কিন্তু পর্যটকদের চাপে দার্জিলিংয়ে এখন ব্যাপক যানজট। শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং উঠতেই ছয় থেকে আটঘণ্টা সময় লাগছে। জোড়বাংলোর রাস্তাই ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকছে গাড়ি। এমন পরিস্থিতিতে বাঘের সফর পিছিয়ে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

    বেঙ্গল সাফারি থেকে দার্জিলিং চিড়িয়াখানার দূরত্ব প্রায় ৭৫ কিমি। এই পথ অতিক্রম করতে সাধারণত সময় লাগে আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা। গ্রিন করিডর করলে আরও কম সময় লাগবে। শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং ওঠার মূল রাস্তা জোড়বাংলো। এই রাস্তাই এখন বড় বাধা হয়ে উঠেছে বাঘ বিনিময়ের পথে। জোড়বাংলো থেকে দার্জিলিং চিড়িয়াখানার দূরত্ব ১২ কিমি। সময় লাগে ৪৫ মিনিটের মতো। গত একমাস ধরে পর্যটকদের ভিড় উপচে পড়েছে শৈলশহরে। যানজট সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে সেখানকার প্রশাসন।

    বেঙ্গল সাফারির এক আধিকারিক জানান, “গ্রিন করিডর করে বাঘ নিয়ে গেলে খুব কম সময় লাগে। দার্জিলিং ওঠার প্রধান রাস্তা জোড়বাংলো। ওই রাস্তা থেকে যানজট শুরু হচ্ছে। জোড়বাংলো থেকে যে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে, সেখানেই তিন থেকে চারঘণ্টা লেগে যাচ্ছে। তাই পাহাড়ি ওই রাস্তায় গ্রিন করিডর করে কোনও লাভ হত না। যানজট কমলে বাঘ রওনা দেবে।” তবে রাজ্য জু অথরিটি মনে করছে এই মাসেই বেঙ্গল সাফারি ও দার্জিলিং চিড়িয়াখানার সঙ্গে বাঘ বিনিময় সম্পন্ন হবে। কারণ, আর কয়েকদিনের মধ্যে শৈলশহরে পর্যটকদের চাপ কমে যাবে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)