‘মহিলা সাংসদদের নিয়ে অসম্মানজনক মন্তব্য’, কল্যাণের বিরুদ্ধে স্পিকারকে চিঠি কাকলির
প্রতিদিন | ১৬ জুন ২০২৬
মহিলা সাংসদদের প্রতি ‘আপত্তিকর, অসম্মানজনক’ কথাবার্তা বলার অভিযোগ উঠল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। তৃণমূল সাংসদ বার বার এ রকম করেন এই অভিযোগে তাঁকে বহিষ্কার করার দাবিতে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিলেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তাঁর অভিযোগ “তিনি বারবার আমাকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছেন। নারীবিদ্বেষী কথা বলেছেন। তাঁর ব্যবহার সংসদীয় আচরণের পরিপন্থী।” তবে এবারই প্রথম নয়, এর আগেও একই বিষয়ে অভিযোগ জানিয়ে স্পিকারকে চিঠি দিয়েছিলেন লোকসভার সাংসদ।
স্পিকার ওম বিড়লাকে লেখা চিঠিতে কাকলি ঘোষ দস্তিদার লিখছেন, শুধু তাঁকেই নয়, সংসদের অন্য মহিলা সাংসদদেরও ‘আপত্তিকর’ কথা বলেছেন। যা একেবারেই অসম্মানজনক। একবার নয়, একাধিকবার এমন ঘটনা ঘটেছে বলেও উল্লেখ বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদের। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ”একাধিক সময় ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হয়েছে। হেনস্তা করা হয়েছে।” কার্যত কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন বারাসতের সাংসদ। তাঁর অভিযোগ, ”এমন কিছু কথাবার্তা সাংসদে আলোচনা করা হয়, যেখানে বসতে মহিলারা অংশগ্রহণ করতে অস্বস্তিবোধ করেন। সাংসদের আচরণ লোকসভার ৩৪৯ ধারার পরিপন্থী।” শুধু তাই নয়, অবমাননার সামিল বলেও উল্লেখ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের। ফলত শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে স্পিকার যাতে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেন সেই আবেদন জানিয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, প্রয়োজনে বহিষ্কারের আর্জি কাকলির।
তবে এবারই প্রথম নয়, এর আগেও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ তুলে ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়েছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। সেই সময় একইভাবে নারীবিদ্বেষের অভিযোগ তুলেছিলেন তিনি। এবার ফের একবার শ্রীরামপুরের সাংসদের বিরুদ্ধে স্পিকারকে চিঠি দিলেন বারাসতের সাংসদ। তবে এই ইস্যুতে পালটা জবাব দেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। যেখানে তিনি বলেন, ”২০১১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত আমি সংসদীয় দলের মুখ্যসচেতক পদে ছিলাম। কয়েকমাস মাঝে ছিলাম না। কীভাবে উনি কথা বলছেন?” শুধু তাই নয়, এই প্রসঙ্গে কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে নারদ এবং সিন্ডিকেট খোঁচাও দেন কল্যাণ।