• বজ্রাঘাতে প্রাণ গেল সিভিক ভলান্টিয়ার ও দুই শ্রমিকের, গুরুতর আহত আরও তিন
    News18 বাংলা | ১৬ জুন ২০২৬
  • সোমবার বিকালে মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন জায়গায় কালবৈশাখীর ব্যাপক ঝড় ও বৃষ্টি, সঙ্গে হল বজ্রপাত। পদ্মার ভাঙন রোধের কাজ করতে গিয়ে বজ্রাঘাতে মৃত্যু হল দুই শ্রমিকের। মর্মান্তিক এই ঘটনায় জখম হয়েছেন আরও তিন শ্রমিক। সোমবার বিকেলে মুর্শিদাবাদের লালগোলা থানার রেনু বিএসএফ ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। অন্যদিকে বড়ঞাতে বজ্রঘাতে মৃত্যু হয়েছে এক সিভিক ভলান্টিয়ারের।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত শ্রমিকদের নাম আমির শেখ (২৪) এবং খুরশেদ শেখ (২২)। মৃত সকল শ্রমিকের বাড়ি সামশেরগঞ্জ থানার ধুলিয়ান এলাকায়। সোমবার বিকেলে রেনু বিএসএফ ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় পদ্মার পাড় বাঁধানোর কাজ করছিলেন একদল শ্রমিক। জানা যায়, সেই সময় আচমকা এলাকায় ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। দুর্যোগের হাত থেকে বাঁচতে কর্মরত শ্রমিকদের মধ্যে সাতজন কাছের একটি আমবাগানে আশ্রয় নেন। আচমকাই সেই আমগাছের ওপর বজ্রপাত হলে পাঁচজন শ্রমিক গুরুতর জখম হন।

    এই ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। ঘটনার পরই স্থানীয় বাসিন্দা ও অন্যান্য কর্মীরা তাঁদের উদ্ধার করে লালগোলা কৃষ্ণপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসকরা আমির ও খুরশেদকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। বাকি তিন শ্রমিক বর্তমানে ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করে।

    লালগোলা থানার পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনাগ্রস্তদের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে এবং দেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য লালবাগ মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গত এক বছরের বেশি সময় ধরেই পদ্মা ভাঙনের কাজ চলছে ভাঙন কবলিত এলাকা হিসেবে পরিচিত লালগোলাতে। আর সেখানেই বজ্রাঘাতে এই মর্মান্তিক পরিণতি ঘটে। অন্যদিকে, সোমবার বিকালে বড়ঞা থানার অন্তর্গত সাবলপুর গ্রামে সিভিক ভলেন্টিয়ার কর্মরত ছিল, তখনই বজ্রপাতে মৃত্যু হয় সুব্রত ঘোষ (৩৬) নামে এক সিভিক ভলান্টিয়ারের। পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কান্দি মহকুমা হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
  • Link to this news (News18 বাংলা)