• কেউ উচ্ছেদ করবে না, এই ভাবে স্টেশনে দোকান খুললে দেদার লাভ, কত খরচ? কীভাবে আবেদন?
    আজ তক | ১৬ জুন ২০২৬
  • রাজ্যে পালাবদলের পর রেল-সংলগ্ন এলাকায় জোরদার উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। রেলের জমি দখল করে গড়ে ওঠা বহু দোকান ও স্টল ইতিমধ্যেই ভেঙে ফেলা হয়েছে। কিছু স্টেশনে এখনও কয়েকটি দোকান চালু থাকলেও সেগুলোকেও নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, যাত্রীদের প্রয়োজনীয় পরিষেবা কি বন্ধ হয়ে যাবে? স্টেশন চত্বর কি পুরোপুরি ফাঁকা হয়ে থাকবে?

    উত্তর হল, না। রেল কর্তৃপক্ষ স্টেশন এলাকায় ব্যবসার সুযোগ বন্ধ করছে না। তবে এবার থেকে সবকিছুই করতে হবে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে এবং রেলের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন নিয়ে।

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতীয় রেল ও আইআরসিটিসি যৌথভাবে ই-টেন্ডারের মাধ্যমে স্টল বা দোকান বরাদ্দ করে। কোনও ব্যক্তি যদি স্টেশন বা স্টেশন চত্বরে ব্যবসা করতে চান, তাহলে প্রথমে তাঁকে নির্ধারণ করতে হবে কোন স্টেশনে দোকান খুলতে চান। এরপর রেলের ই-প্রকিউরমেন্ট পোর্টাল (IREPS)-এ প্রকাশিত সংশ্লিষ্ট টেন্ডারে অংশ নিতে হবে।

    আবেদনের জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নথি জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। এর মধ্যে রয়েছে ভোটার পরিচয়পত্র, ঠিকানার প্রমাণপত্র, প্যান কার্ড, ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত নথি এবং জিএসটি-র কাগজপত্র। খাদ্যপণ্য বিক্রির দোকান খুলতে চাইলে অতিরিক্তভাবে এফএসএসএআই (FSSAI) লাইসেন্সও প্রয়োজন হবে। আবেদনকারীর বয়স অবশ্যই ১৮ বছরের বেশি হতে হবে।

    খরচের বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে স্টেশনের গুরুত্ব ও অবস্থানের উপর। স্বাভাবিকভাবেই হাওড়া বা শিয়ালদার মতো ব্যস্ত স্টেশনে দোকান নেওয়ার খরচ তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। অন্যদিকে ছোট স্টেশনগুলিতে সেই খরচ অনেকটাই কম। উদাহরণ হিসেবে, শান্তিপুরে একটি পোশাকের দোকানের জন্য বছরে প্রায় ২৪ হাজার টাকা লাইসেন্স ফি দিতে হতে পারে।

    তবে স্টেশনে ব্যবসা করতে চাইলেই যে কোনও ধরনের পণ্য বিক্রি করা যাবে না। রেলের নীতিমালা অনুযায়ী, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হস্তশিল্প, কুটির শিল্পের সামগ্রী, ঐতিহ্যবাহী পণ্য এবং নির্দিষ্ট অনুমোদিত দ্রব্যই বিক্রির সুযোগ থাকে।

     
  • Link to this news (আজ তক)