কলকাতা হাইকোর্টে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
দৈনিক স্টেটসম্যান | ১৬ জুন ২০২৬
মঙ্গলবার ঠিক ১টা ৫০ মিনিটে হাইকোর্টে আসেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতে এসেই তিনি সোজা চলে যান অথ কমিশনের দপ্তরে। আজই রাজ্য বিধানসভার অধ্যক্ষ বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বীকৃতিকে চ্যালেঞ্জ করে মামলার শুনানি রয়েছে। দুপুর তিনটের সময় সেই মামলার শুনানি রয়েছে। তার আগে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হাইকোর্টে আসা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে হাইকোর্টে আইনজীবী মহলের একাংশ।
বিরোধী দলনেতার তকমা কি হারাবেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় মঙ্গলবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে হাইকোর্ট। বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করা হয়। তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেবের অভিযোগ, অধ্যক্ষ মাধ্যমে বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় সাংবিধানিক বিধি ও বিধানসভার নিয়ম লঙ্ঘিত হয়েছে। তিনি আদালতের কাছে ওই সিদ্ধান্তের বৈধতা খতিয়ে দেখার আবেদন জানান।
প্রথম দফায় শুক্রবার শুনানিতে কোন অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দেয়নি আদালত। তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া নিয়ে সওয়াল করেন। বিধানসভার অধ্যক্ষর সিদ্ধান্তের উপর স্থগিতাদেশ চেয়ে মামলা করা হয়।
যদিও মামলার শুনানি পর্বে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের অতিরিক্ত জেনারেল অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্লদ্বল ভট্টাচার্য তীব্র আপত্তি জানান। আজ দ্বিতীয় দফার শুনানি শুরু হবে দুপুর তিনটে হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসে। সেই মামলার জন্যই মূলত কলকাতা হাইকোর্টে আসেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে কিছুক্ষণ পরেই বেরিয়ে যান প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে ছিলে বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ, রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন।