বিতর্কে ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর অন্যন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় (Ananya Banerjee)! সোমবারই তাঁর মুকুন্দপুরের ওয়ার্ড অফিসে আছড়ে পড়ে জনরোষ। উদ্ধার হয় বাক্স ভর্তি টাকা, কন্ডোম! এমনকী প্রোমোটারদের তোলাবাজির রেটচার্টও ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয় বলে অভিযোগ। যা নিয়ে উত্তাল রাজ্য-রাজনীতি। এরমধ্যেই এবার বিস্ফোরক দাবি বিজেপির। স্থানীয় নেতৃত্বের দাবি, ওই ওয়ার্ড অফিস থেকে কলকাতা পুরসভায় নিয়োগের তালিকাও উদ্ধার হয়েছে।এরপরেই প্রশ্ন উঠছে, অন্যান্য পুরসভার মতো কলকাতা পুরসভাতেও নিয়োগ দুর্নীতি (KMC Recruitment Scam) হয়েছে। তৃণমূল ঘনিষ্ঠদের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে? ঘটনায় বিস্তারিত তদন্তের দাবি তুলেছে বিজেপি।
বিজেপির দাবি, ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডের ওই তৃণমূলের কার্যালয় থেকে বেশ কয়েকটি খাম উদ্ধার হয়। সেখানেই নিয়োগের সুপারিশ ছিল। এক নেতার অভিযোগ, এই তৃণমূলের পার্টি অফিসে বিভিন্ন মিটিং করা হয়েছে। সেখানেই পুরসভায় কারা পুরসভায় কাজ পাবে, সেই তালিকা তৈরি করা হতো। কাউন্সিলর অন্যন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই বিভিন্ন বিভাগে অযোগ্যদের নিয়োগ করা হয়েছে। যদিও ওই ওয়ার্ডের চাবি তাঁর কাছে নেই বলেই জানিয়েছেন ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর অন্যন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, কলকাতা কর্পোরেশনের অফিস ওটা। ৮ জুনের পর ওই অফিসে আর যাইনি। তবে সেখানে ফাইল, কাগজপত্র যে থাকবে সেটা স্বাভাবিক। ঘটনা প্রসঙ্গে সোমবারই বিজেপি বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ জানান, নতুন সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে। নিপীরিতদের যাতে আর কষ্ট সহ্য করতে না হয় সেই বন্দোবস্ত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল নেতাদের এই সব অত্যাচার আর চলবে না। তাঁদের বিচার হবে। মানুষ তাঁদের বিচার করবেন। রূপা গাঙ্গুলি জানান, তৃণমূল নেতানেত্রীদের বিরুদ্ধে ভুঁড়ি ভুঁড়ি অভিযোগ উঠেছে। এসব দেখে খারাপ লাগছে তাঁর।