• অনুমতি না নিয়েই দিনের পর দিন ছুটি, নজরে ডাক্তাররা! ১১ বছরের ফাইল দ্রুত তলব স্বাস্থ্যদপ্তরের
    প্রতিদিন | ১৬ জুন ২০২৬
  • বিনা অনুমতিতে কারা দিনের পর দিন ছুটি নিয়েছেন? পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সরকারি মেডিক্যাল কলেজে কর্মরত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য আধিকারিকদের অনুমতিহীন ছুটির ফাইল চেয়ে পাঠাল স্বাস্থ্যদপ্তর। খুলছে ১১ বছরের পুরনো ফাইল। কেন এমন তলব?

    সূত্রের খবর, খাতায় কলমে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের অধ্যাপক, কেউ আবার বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের। কিন্তু বিগত সরকারের আমলে এমন অনেক অধ্যাপকই সারা সপ্তাহ কাটাতেন কলকাতায়। জেলার মেডিক্যাল কলেজে নাম নথিভুক্ত থাকলেও সে সময় চুটিয়ে প্র্যাকটিস করতেন অন্যত্র। বিগত সরকারের আমলে এমন অভিযোগ ভূরি ভূরি। এবার সত্যিটা জানতে নয়া সার্কুলার জারি করল স্বাস্থ্যদপ্তর।

    সার্কুলারে বলা হয়েছে, বিগত এগারো বছর ধরে রাজ্যের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় কর্মরত চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্তাদের মধ্যে যাঁরা অনুমতি না নিয়ে ডিউটির সময় অনুপস্থিত ছিলেন, তাঁদের তথ্য অবিলম্বে দিতে হবে স্বাস্থ্যদপ্তরকে। সাতদিনের মধ্যে সেই তথ্য তলব করেছে স্বাস্থ্যদপ্তর। স্বাস্থ্য ভবন থেকে প্রকাশিত এই প্রশাসনিক নির্দেশে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য পরিষেবা, পশ্চিমবঙ্গ ডেন্টাল পরিষেবা, ও পশ্চিমবঙ্গ জনস্বাস্থ্য এবং প্রশাসনিক পরিষেবা ক্যাডারের অধীনে কর্মরত সমস্ত মেডিক্যাল অফিসার, স্পেশালিস্ট মেডিক্যাল অফিসার, ডেন্টাল সার্জন এবং সরকারি হাসপাতালের সমস্ত কর্মকর্তাকে এই আতসকাচের তলায় আনা হবে। ২০১৫ সাল থেকে এঁদের মধ্যে কাজের দিনে কারা কারা অনুপস্থিত ছিলেন সে সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য সাতদিনের মধ্যে জানাতে হবে স্বাস্থ্য দপ্তরকে।

    কারা জানাবেন তথ্য? নির্দেশ অনুযায়ী, জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক, মেডিক্যাল কলেজের সুপার, ভাইস প্রিন্সিপাল, অতিরিক্ত মেডিক্যাল সুপারিন্টেন্ডেন্টদের অনলাইনে এই তথ্য জমা দিতে হবে। তার জন্য স্বাস্থ্যদপ্তরের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট আধিকারিদের ই-মেল আইডিতে অনলাইন পোর্টালের লিঙ্ক ও লগ ইন সংক্রান্ত তথ্য পাঠানো হয়েছে। সেখানেই লগ ইন করে সমস্ত তথ্য দিতে হবে। তথ্য দেওয়ার আগে সেই নথি যাচাই করার নির্দেশও দিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর। এক আধিকারিক জানিয়েছেন, জরুরি ভিত্তিতে এই তথ্য তলব করা হয়েছে। সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবায় কর্মীদের উপস্থিতি, দায়বদ্ধতা যাচাই করার উদ্দেশ্যেই এই তথ্য সংগ্রহ বলে জানানো হয়েছে সার্কুলারে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)