বাড়ি তৈরি করার জন্য গরিব মানুষেরা এবার পাবেন সস্তায় বালি, বড় ঘোষণা মন্ত্রী জগন্নাথের
News18 বাংলা | ১৬ জুন ২০২৬
গরিব অসহায় খেটেখাওয়া মানুষকে সব থেকে কম দামে সস্তায় বালি দেওয়ার কাজ শুরু হবে এই বীরভূম জেলা থেকে, পরিষ্কার ভাবে জানিয়ে দিলেন বীরভূম জেলার সদর শহর সিউড়ির বিধায়ক তথা রাজ্যের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। এর পাশাপাশি তিনি আরও জানান, এই বালি বণ্টন মডেল শুধু এই রাজ্যে নয়, দেশের মধ্যে নজির সৃষ্টি করবে৷ শুধু তাইনা তিনি কড়া ভাষায় হুশিয়ারি দিয়েছেন বেআইনি বালিরঘাট সম্পূর্ণ বন্ধের।
প্রসঙ্গত, বেশ কয়েক দিন আগে থেকেই বীরভূম জেলায় পাথর খাদানগুলি থেকে সরকারি ভাবে নিয়ম মেনে রাজস্ব আদায় শুরু করেছে বীরভূম জেলা প্রশাসন৷ রাজস্ব আদায় নিয়ে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে প্রশাসন। এবার এর পাশাপাশি বৈধ বালিরঘাটগুলি চিহ্নিত করে রাজস্ব আদায় করবে সরকার। আশা করা যায়, এর ফলে বালিপাচার বন্ধ হবে এবং সাধারণ মানুষ কম দামে বালি পাবে৷ সোমবার থেকে রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে ডাবল ইঞ্জিন সরকারের ‘জনকল্যাণ শিবির’। রাজ্য ও কেন্দ্র সরকার মিলিয়ে প্রায় ৫২ টি প্রকল্পের সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে।
বিভিন্ন জায়গায় মন্ত্রীরা এসে ক্যাম্প পরিদর্শন করছেন। ঠিক সেই মতো বীরভূমের কংকালীতলা, বোলপুর ডাকবাংলো মাঠের শিবির পরিদর্শন করতে আসেন সিউড়ির বিজেপি বিধায়ক তথা রাজ্যের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়৷ সেখানেই সাংবাদিকদের প্রশ্নে জগন্নাথ বাবু জানান, “পাথর থেকে সরকারি ভাবে রাজস্ব আদায় শুরু হয়েছে, এবার বালিও হবে, অপেক্ষা করুন৷ জেলা শাসকের নেতৃত্বে পাথরের উপর আমরা রাজস্ব আদায় শুরু করেছি, এই মাসের ১৭ তারিখ আমাদের এক মাস পূরণ হচ্ছে৷”
তিনি আরও জানান “এরপর আমরা বালিটা ধরছি৷ বালির জন্য সমস্ত প্রজেক্ট তৈরি করা হয়ে গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী নীতিগত ভাবে সাড়াও দিয়েছেন৷ সাধারণ খেটে খাওয়া গরিব মানুষের বাড়ি তৈরি করার জন্য সস্তায় বালি দেওয়ার কথা যে আমার বলেছিলাম, এটা বীরভূমে প্রথম কার্যকর করে আমরা ছাড়ব৷ গরিব মানুষকে সস্তায় বালি দেওয়ার যে মডেল, তা সারা রাজ্য ও দেশে মডেল হতে চলেছে।”