• 'হেরে গেলেই...', মমতা কোর্টে যেতেই যা বললেন ঋতব্রত!
    আজকাল | ১৭ জুন ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: মঙ্গলবার হাইকোর্টে গিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো। ভবানীপুরে তিনি  শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরে যাওয়ার বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ করে, পিটিশন দাখিল করেন আদালতে। এই প্রসঙ্গে বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা, ঋতব্রত ব্যানার্জি বলেন, 'আমি শুধু যেটা  বুঝি, বাংলার মানুষ আমাদের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে। বাংলার জনমত আমাদের বিরুদ্ধে।  সংসদীয় গণতন্ত্রে, আমি যখন জিতব তখন জনগণ আমার পক্ষে, আমি হেরে  গেলে জনগণ আমার বিরুদ্ধে, সব চুরি হয়ে গিয়েছে, লুট হয়ে গিয়েছে, এটা মানুষ ভালভাবে নেয় না। মানুষ রায় দিয়েছেন। মানুষের রায় মাথা পেতে নিতে হবে। মাথা পেতেই মানুষের কাছে যেতে হবে।'

    সঙ্গেই তাঁর সংযোজন, 'মানুষ যখন ভোট দেন, মানুষ যখন সমর্থন করেন্‌ সেই সমর্থনের সবটুকু কৃতিত্ব মানুষের। মানুষ যখন মুখ ফিরিয়ে নেন, সেই সবটুকু দায় আমাদের। আমি যদি সেই দায় মাথায় না নিয়ে উলটে বলি, আমি হারিনি, জিতেছি। মানুষ সেটা ভালভাবে নেন না।' 

    উল্লেখ্য, শুভেন্দুর  কাছে হেরেছিলএন নন্দীগ্রামে, তখনও হারকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন। ফের ভবানীপুরের হারকে চ্যালেঞ্জ তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির। মঙ্গলবার, ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হারকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে হাজির হন মমতা ব্যানার্জি। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কুণাল ঘোষ, দোলা ব্যানার্জি। আদালত চত্বরে মমতা ব্যানার্জির  পাশে দেখা যায় কল্যাণ ব্যানার্জির পুত্র শীর্ষাণ্য ব্যানার্জিকেও। শুভেন্দু অধিকারীর ভবানীপুরের জয়কে চ্যালেঞ্জ করে হলফনামা দাখিল করে, কয়েক মিনিতেই আদালত চত্বর থেকে বেরিয়েও যান তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জি। 

    উল্লেখ্য, বিধানসভার অধিবেশনের আগে, মঙ্গলবার সর্বদলীয় বৈঠক  হয়েছে বিধানসভায়। সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে ডাক পাননি তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা শোভনদেব চট্টোপাধায়, ডাক পাননি বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষও। 

     
  • Link to this news (আজকাল)