দাওয়াইখানাই নেশার আখড়া! শতাধিক ইনজেকশনে উদ্ধার হতেই শামসেরগঞ্জে অ্যাকশনে পুলিশ
প্রতিদিন | ১৭ জুন ২০২৬
নেশাজাতীয় কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল নিষিদ্ধ ইনজেকশন! বাংলাদেশ লাগোয়া মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) শামসেরগঞ্জে উদ্ধার ১৮০টি নকল ইনজেকশন। সিল করে দেওয়া হয়েছে ওষুধের দোকান দু’টি। দোকানের মালিককে থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বৈধ ওষুধের দোকানের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে কী ভাবে এমন অবৈধ কারবার চলছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনায় ক্ষোভের পরিবেশ তৈরি হয়েছে এলাকায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মুর্শিদাবাদের শামসেরগঞ্জের সাহেবনগরে নিষিদ্ধ ইনজেকশন মজুত ও বিক্রির অভিযোগে দু’টি ওষুধের দোকানে অভিযান চালায় ড্রাগ কন্ট্রোল বিভাগ ও পুলিশ। তল্লাশির সময় উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ ইনজেকশন। মালিক কাওসার শেখকে জিজ্ঞাসা করা হয়। তিনি সন্তোষজনক উত্তর দিতে না পারায় তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ড্রাগ কন্ট্রোল বিভাগের অনুমান, উদ্ধার হওয়া ইনজেকশনগুলির একটি অংশ নেশাজাতীয় কাজে ব্যবহার করা হত।
ওষুধের দোকানে কীভাবে নেশাজাতীয় বেআইনি ইনজেকশন বিক্রি করা হচ্ছিল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। উদ্ধার হওয়া ইনজেকশনগুলির উৎস, সরবরাহকারী কারা ও এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।