এই সময়: সাঁওতালডিহি ও বক্রেশ্বর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সম্প্রসারণে এ বার বেসরকারি বিনিয়োগ চায় রাজ্য। এই দুই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সম্প্রসারণের জন্য ট্যারিফ ভিত্তিক দরপত্র চাওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে নাম উঠে আসছে আদানি এবং টরেন্ট পাওয়ার গোষ্ঠীর। গত বছর শালবনিতে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্যও এই দুই সংস্থা আগ্রহ দেখিয়েছিল।
বিদ্যুৎ দপ্তর সূত্রের খবর, পিপিপি মডেলে এই তিন তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়তে ২২ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রয়োজন। সাঁওতালডিহিতে ৮০০ মেগাওয়াটের দু’টি এবং বক্রেশ্বরে ৬৬০ মেগাওয়াটের একটি ইউনিট তৈরি করা হবে। এর জন্য প্রয়োজনীয় জমির ব্যবস্থা করতে প্রস্তুত রাজ্য সরকার।
বিদ্যুৎ দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক বছরে গড়ে বিদ্যুতের চাহিদা ৭–৮ শতাংশ বাড়ছে। বিশেষ করে গরমের সময়ে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা বাড়ছে। কোনও কোনও সময়ে সেটা ১০ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যাচ্ছে। চাহিদার পুরোটা মেটাতে এনটিপিসি, ডিভিসি–র মতো সংস্থা থেকে বিদ্যুৎ নেওয়ার পাশাপাশি খোলাবাজার থেকে চড়া দামে বিদ্যুৎ কিনে পরিস্থিতি সামাল দিতে হচ্ছে বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থাকে।
এই কারণেই রাজ্যের আর্থিক সঙ্কটের মধ্যে বাড়তি বিদ্যুতের চাহিদা সামাল দিতে রাজ্য বিদ্যুৎ উন্নয়ন নিগম তাদের সম্প্রসারণ প্রকল্পে পিপিপি মডেল বেছে নিয়েছে। জিন্দাল গোষ্ঠী পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনিতে পিপিপি মডেলে দু’টি ৮০০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ ইউনিট গড়তে ১৬ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। ২০৩০ নাগাদ এই কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হওয়ার কথা।