• মমতার হাত ছেড়েই মন্ত্রিত্বের দৌড়ে শতাব্দী! বিদ্রোহের পুরস্কার?
    প্রতিদিন | ১৭ জুন ২০২৬
  • ‘বিদ্রোহের সম্ভাব্য পুরস্কার’ ঘিরে জল্পনা বাড়ছে রাজধানীতে। তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়ায় মিশেছেন ২০ জন সাংসদ। এনডিএ শিবিরে দ্বিতীয় বৃহত্তম শরিক হতে চলেছে এই দল। শীঘ্রই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার রদবদল হতে পারে। স্বাভাবিকভাবেই সেই রদবদলে ‘পুরস্কৃত’ হতে পারেন শরিক দলের দু’একজন সাংসদ। অভিজ্ঞ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়ের নাম গুরুত্বের সঙ্গেই বিবেচিত হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। তিনি প্রতিমন্ত্রী হিসাবে জায়গা পেতে পারেন। পাশাপাশি, বঙ্গ বিজেপি থেকেও কাউকে পূর্ণমন্ত্রী করা হতে পারে বলে জল্পনা তুঙ্গে।

    এদিকে, মঙ্গলবার অবস্থান স্পষ্ট করলেন হুগলির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘সম্মান’ জানানোর পাশাপাশি তিনি প্রকাশ্যে দাবি করলেন, গত ১৫ বছরে পশ্চিমবঙ্গে উন্নয়ন কার্যত থমকে ছিল। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। লোকসভা সচিবালয়ে গিয়ে বিদ্রোহী শিবিরের প্রতি সমর্থন জানিয়ে প্রয়োজনীয় নথিতে সই করে রচনা বলেন, “তৃণমূল মানেই দিদি। তাঁকে আমরা সম্মান করি। কিন্তু মানুষের জন্য যে কাজ করতে চেয়েছিলাম, সেখানে বাধা ছিল। আমি ভোট পেয়েছি কাজ করার জন্য। কেন্দ্র ও রাজ্যে সমন্বয় থাকলে উন্নয়ন আরও দ্রুত হয়।” 

    এদিন বর্ষীয়ান সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, সংযুক্তিকরণ প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর কথায়, “এক দফার আলোচনা শেষ হয়েছে। আবার ডাক পড়লে দ্বিতীয় দফার বৈঠক হবে। ২০ জুলাই লোকসভার অধিবেশন শুরু হওয়ার আগে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক হয়ে যাবে।” রচনার প্রকাশ্য অবস্থান, শতাব্দীকে ঘিরে মন্ত্রিত্বের জল্পনা এবং সুদীপের সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার বার্তা সব মিলিয়ে বঙ্গ রাজনীতির সমীকরণ দ্রুত বদলাচ্ছে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)