নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: মঙ্গলবার জাহাঙ্গির খানকে রেহাই দেওয়ার দাবিতে যে বিক্ষোভ হয়েছিল, তা নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নিল ফলতা থানার পুলিশ। মোট আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কার ইন্ধনে এমন বিক্ষোভ হয়েছিল, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। বুধবার ফলতার সরকারি অনুষ্ঠানে এসে নাম না করে বিষয়টি খোলসা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন, যাঁরা বিক্ষোভ দেখানোর নাম করে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের উপর হামলার চেষ্টা করছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র বিরোধী আইনে মামলা রুজু করে উপযুক্ত শিক্ষা দিতে হবে।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এখানে এক মাফিয়ার স্ত্রীর নেতৃত্বে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের উপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছিল। আমি ডায়মন্ডহারবার পুলিশ জেলার সুপারকে বলছি, ভিডিয়োতে যতজনকে দেখা যাচ্ছে, প্রত্যেককে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। রাষ্ট্রবিরোধী ধারাতে এদের এমন শিক্ষা দিন যাতে আর কোনোদিন পুলিশ বা বাহিনীর উপর হামলা না করতে পারে। একইসঙ্গে কোথাও গুন্ডারাজ হতে দেবেন না বলেও চরম হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি এদিন সাফ জানিয়ে দেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না। নাহলে এই সরকার কিন্তু কাউকে ছাড়বে না। মঙ্গলবার যে ঘটনা ঘটেছে, তা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যথেষ্ট ক্ষুব্ধ, তা এদিন তাঁর বক্তব্যেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। অভিযুক্ত কেউ বাড়িতে যাতে না থাকতে পারে, সেই ব্যবস্থা করতে বলেছেন তিনি। প্রয়োজনে তাঁদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে নিলামে তুলে ক্ষতিপূরণ আদায় করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিলেন শুভেন্দুবাবু। তবে প্রশ্ন হল এরই মুখ্যমন্ত্রী যার দিকে আঙুল তুলেছেন তার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে? ডায়মন্ডহারবার পুলিশ জেলার আধিকারিক বলেন, এ ব্যাপারে আলোচনা চলছে। শীঘ্রই পদক্ষেপ করা হবে।