রাজ্য থেকে কমানো হল কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা। ২৬-এর বঙ্গ বিধানসভা ভোটের সময় থেকে গোটা রাজ্যে ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিল। ভোটের পরের আইনশৃঙ্খলা সামাল দিতে বিপুল এই বাহিনীকে রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু পরিবর্তনের বাংলায় পরিস্থিতি এখন শান্ত। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ প্রশাসনকে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এহেন পরিস্থিতিতে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আর তা কমিয়ে দেড়শো কোম্পানি করা হয়েছে।
নবান্ন সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই বাহিনীর নয়া বিন্যাস স্থির হয়ে গিয়েছে। তার মধ্যেই বুধবারই নবান্নের সামন থেকেও সরিয়ে নেওয়া হয় বাহিনীর জওয়ানদের। ভোটের ফলাফলের প্রকাশের দিন থেকে নবান্নের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কোনও ফাইল যাতে লোপাট না হয়, তা নজরদারি চালানোর নির্দেশও দেওয়া হয়। এরপর থেকেই নবান্নের নিরাপত্তায় মোতায়েন ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। নবান্নে কোনও কর্মচারী ঢোকা এবং বেরোনোর সময় তাঁদের আইডি কার্ড দেখা থেকে ব্যাগ চেক করতেন বাহিনীর জওয়ানরা। কিন্তু বুধবার সকালের পর আর সেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর দেখা পাওয়া যায়নি।
বলে রাখা প্রয়োজন, এবার বাংলায় দু’দফায় নির্বাচন হয়েছে। দু’দফাতেই নজিরবিহীন নিরাপত্তায় ভোট হয়। মোতায়েন করা হয় ২,৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। যা গত বিধানসভা ভোটের তুলনায় ছিল অনেক বেশি। একেবারে রক্তাপাতহীন ভোটের সাক্ষী থেকেছে বাংলার মানুষ। ভোটের পরেও যাতে কোনও অশান্তি না হয়, সেদিকে নজর রেখেই ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।