Big Breaking: স্পিকারের সিদ্ধান্তে সিলমোহর কলকাতা হাইকোর্টের। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্তে কোনও ভুল নেই, ফলে ওই নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেওয়ার আবেদন খারিজ, নির্দেশ বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের। বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দেন তিনি। তবে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের আবেদন খারিজ করলেও মূল মামলা বজায় থাকবে। তিন সপ্তাহের মধ্যে সব পক্ষকে হলফনামা ও পাল্টা হলফনামা দেওয়ার নির্দেশ। ২৮ জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানি।
বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুর কাছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে প্রথমে ৫৮ জন বিধায়কের স্বাক্ষর সম্বলিত রেজ়োলিউশন জমা দেওয়া হয়। এর পরে বিধায়করা ব্যক্তিগত ভাবে ঋতব্রতদের সমর্থন জানিয়ে বিধানসভায় চিঠিও দেন। ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে এই মুহূর্তে তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরে ৬৫ জন আছে।
যদিও ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা করা নিয়ে দলের মধ্যে দড়ি টানাটানি চরমে ওঠে। ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করে মমতা-পন্থী তৃণমূল। ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্তে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের আবেদন করা হয়। যদিও এ দিন কোর্ট সেই অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে।
কোর্টের নির্দেশ প্রসঙ্গে বিদ্রোহী শিবিরের বিধায়ক সন্দীপন সাহা সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘যে অনিয়মের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই শুরু হয়েছিল, আজ আমরা তাতে নৈতিক জয় পেলাম। আমরা যে কাজটা করেছি, তা সম্পূর্ণ আইন মেনে। স্পিকারের অনুমোদনে আজ হাইকোর্টও সিলমোহর দিল।’