• অতিভারী বর্ষণে ফের ধস পাহাড়ে, অবরুদ্ধ শিলিগুড়ি-সিকিম যোগাযোগের ‘লাইফ লাইন’ ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক
    প্রতিদিন | ১৮ জুন ২০২৬
  • বুধবার রাত থেকে শুরু হয়েছে প্রবল বর্ষণ। তার জেরে ফের ভূমিধস শিলিগুড়ি-সিকিম সড়ক যোগাযোগের ‘লাইফ লাইন’ হিসেবে পরিচিত ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে। বৃহস্পতিবার ভোরে সিংতাম ও রংপোর মাঝে বারডাং-এর কাছে পাহাড়ি রাস্তা ধসে তিস্তায় ভেসেছে। পুরো এলাকা পাথর, কাদায় ভরে বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় সমস্যায় পড়েছেন পর্যটক-সহ নিত্যযাত্রীরা। এদিকে খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছেন প্রশাসনের আধিকারিকরা। দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে শুরু হয়েছে কাজ। তবে সবটাই আবহাওয়ার উপর নির্ভর করছে বলেই জানাচ্ছেন আধিকারিকরা।

    জানা গিয়েছে, প্রবল বৃষ্টিপাতে ধস নেমে বন্ধ রয়েছে সিংটাম টানেল এলাকা, এটিটিসি কলেজ ও ২০ মাইলের কাছাকাছি রাস্তাগুলি। উত্তরবঙ্গের রাস্তাগুলির মধ্যে ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ‘লাইফ লাইন’ হিসাবে দেখা হয়। ফলে নতুন করে ওই রাস্তায় ধস নামায় সমস্যায় স্থানীয় মানুষজন। আটকে পড়েছেন বহু পর্যটকও। সিকিম প্রশাসনের তরফে শিলিগুড়ি, রংপো অথবা অন্য গন্তব্যের উদ্দেশ্যে যাত্রীদের পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই সড়কপথ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পর্যটকদের গ্যাংটক, রংপো অথবা শিলিগুড়ি যাতায়াতের জন্য ঘুরপথে তিনটি বিকল্প রাস্তায় চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। রাস্তাগুলো হল ১. সিংটাম–সেন্ট্রাল পেন্ডাম–রংপো রোড ২. সিংটাম–ডুগা–রংপো রোড ৩. রানিফুল–পকিয়ং–রোরাথাং– রংপো। তবে পাথর, মাটি ও কাদায় ভরা রাস্তায় চালকদের সতর্কতার সঙ্গে গাড়ি চালাতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। 

    অন্যদিকে আগামী ২৪ ঘণ্টায় উত্তরবঙ্গে প্রবল বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস। বিশেষ করে জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে অতিভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। বৃষ্টি হতে পারে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত। ভারী বৃষ্টি দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহারে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড় বৃষ্টির সঙ্গে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত দমকা হাওয়া বইবে মালদা উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে। সোমবার পর্যন্ত অতিভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা উত্তরবঙ্গের তিন জেলায়। জলপাইগুড়ি আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে পূর্বাভাসে। 
  • Link to this news (প্রতিদিন)