• মমতার দেওয়া সোনার উপহার ফেরাতে কালীঘাটে কাকলিপুত্র, তারপর…
    প্রতিদিন | ১৮ জুন ২০২৬
  • দিন কয়েক আগেই কাকলিপুত্র বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া উপহার ফিরিয়ে দেবেন তিনি। সেই মতো বুধবার কালীঘাটে পৌঁছন তিনি। মমতার দেওয়া উপহারের পাশাপাশি একটি চিঠিও নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তা কেউ গ্রহণ করেনি বলেই জানিয়েছেন বৈদ্যনাথ।

    কাকলি ঘোষ দস্তিদারের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্ক চার দশকেরও বেশি। তৃণমূল সুপ্রিমোর লড়াইয়ের সঙ্গী ছিলেন তিনি। কিন্তু ছাব্বিশে পালাবদলের পর ক্রমশ স্পষ্ট হয়েছে দূরত্ব। প্রথমদিকে দু’পক্ষই মুখ বন্ধ রাখলেও একটা সময়ের অশান্তি প্রকাশ্যে এসেছে। ‘বিদ্রোহী’ শিবিরে নাম লিখিয়েছেন কাকলি। এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাকলির এই শিবির বদলের কারণ হিসেবে নাম না করে অনেক কথাই বলেছেন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, দলের এক সাংসদ তাঁর দল ভাঙছেন। ওই সাংসদ ছেলের জন্য টিকিট চেয়েছিলেন, তা দেননি বলেই সাংসদ বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। উপহার স্বরূপ কেন্দ্রীয় নিরাপত্তাও পেয়েছেন। পরবর্তীতে দলের একাধিক সাংসদের মুখেও শোনা গিয়েছে সেই কথাই। যার জেরেই চটেন কাকলিপুত্র।

    সোশাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিয়েতে আমার স্ত্রীকে একটা সোনার হার উপহার দিয়েছিলেন। কয়েকবার পুজোয় আমাকে কুর্তা-পায়জামা দিয়েছেন। আমরা তা ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই সৌজন্যের জন্য আমি কৃতজ্ঞ। ব্যক্তিগত কারণে এই উপহারগুলি ফিরিয়ে দেওয়াই সমীচীন বলে মনে করছি।’ এপ্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “আমি ঠিক করেছি কালীঘাটের বাড়িতে গিয়ে ওগুলো দিয়ে আসব। সোনার হার ২ বছর ছিল আমাদের কাছে। যদি তার সুদ দিতে হয়, তা দিতেও রাজি। কিন্তু ওনার মতো মানুষের থেকে কোনও উপহার আমার চাই না।” বুধবার সন্ধেয় উপহার সামগ্রী নিয়ে কালীঘাটে মমতার বাড়িতে যান কাকলিপুত্র। কিন্তু তা কেউ গ্রহণ করেনি বলেই খবর। এপ্রসঙ্গে বৈদ্যনাথ বলেন, ” বোঝাবুঝি ও বিভ্রান্তির অবসান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য চিঠিও লিখে নিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের নিরাপত্তা কর্মী এবং অফিসের কর্মীরা কিছুই গ্রহণ করেননি।”
  • Link to this news (প্রতিদিন)