তৃণমূলের পার্টি অফিসে কেন শোওয়ার ঘর? দেবাংশু বলছেন..
আজকাল | ১৯ জুন ২০২৬
আজকাল ওয়েবডেস্ক: গত কয়েকদিন ধরে জোর চর্চা। তৃণমূলের একাধিক কার্যালয়ে তল্লাশিতে মিলেছে বিপুল অর্থ, ত্রাণ সামগ্রী। কোথাও আবার শোওয়ার ঘর, প্রসাধনী দ্রব্যও। তৃণমূলের মেট্রোপলিটনের কার্যালয় ছেড়ে দিতে হচ্ছে ঘাসফুল শিবিরকে। সেখানেও নাকি একাধিক সুবন্দ্যোবস্ত সম্পন্ন শোওয়ার ঘর। কেন? দলীয় কার্যালয়ে কেন 'বেডরুম'? গত কয়েকদিন ধরে বারেবারে এই প্রশ্ন সমানে এসেছে। এবার তার উত্তর দিলেন দেবাংশু ভট্টাচার্য। তৃণমূলের যুব নেতা, প্রার্থী হয়েছিলেন এই ভোটেও। যদিও দিন কয়েক আগেই জানান, দলের ভরাডুবির পর, তিনি রাজনীতি থেকে কিছুটা বিরতি নিয়ে, ভাবছিলেন ভুল-ঠিকের হিসেব।
এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় দেবাংশু লিখলেন, 'এই যে পার্টি অফিস গুলোতে বেডরুম পাওয়া নিয়ে কিছু সংবাদমাধ্যমের বন্ধুরা "এ বাবা, ছিঃ ছিঃ" বলে চিল-চিৎকার জুড়ছেন, তারা কি জানেন একটা পার্টি অফিসে কেন বেডরুম থাকে?'
কী কারণ জানালেন দেবাংশু? লিখেছেন, ' দূর দূরান্ত থেকে বহু নেতৃত্ব-কর্মী যখন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে আসেন, তখন হোটেল ভাড়া করে যেন তাদের থাকতে না হয় তাই বহু জেলা অফিসেই বেডরুম, স্নানঘরের ব্যবস্থা রাখা হয়। গত সাত বছরে আমি নিজেই বহু জেলায় গিয়ে পার্টি অফিসে থেকেছি। শুধু বেডরুম নয়, বহু পার্টি অফিসে রান্নাঘরও থাকে, যেখানে রান্না করে আমাদের খাবার ব্যবস্থাও করা হয়েছে বহুবার। শুধু অন্যান্য জেলা থেকে আসা নেতৃত্বের জন্যই নয়; বহু সময় বহু রাজনৈতিক কাজ অনেক রাত্রি পর্যন্ত হয়। পার্টির কোন উচ্চ নেতৃত্বের মিটিং থাকলে আগের দিন রাত্রি পর্যন্ত সেই কর্মসূচির রুপায়নের কাজে ব্যস্ত থাকে জেলা নেতৃত্ব। একটা জেলার দূর-দূরান্ত থেকে আসা নেতাদের পক্ষে সেই কাজ শেষ করে মধ্যরাতে বাড়ি ফিরে গিয়ে পুনরায় সকালে এসে সেই কর্মসূচির কাজ শুরু করা অত সহজ হয় না। তখন তারা পার্টি অফিসেই থেকে যান। সেখানেই খাওয়া-দাওয়া হয়। (তবে আমার এই পোস্ট কেবলমাত্র পার্টি অফিস গুলির জন্যই প্রযোজ্য। স্কুল-কলেজ থেকে যদি বেডরুম পাওয়া যায়, এবং সেটা যদি অসুস্থ হলে বিশ্রাম নেওয়ার "সিক রুম" না হয়ে থাকে, তবে সেগুলির যথাযথ তদন্ত দরকার। )তাই সংবাদমাধ্যমের কাছে অনুরোধ থাকবে, দয়া করে কোনও সাধারন বিষয়কে অন্যরকম রূপ দেওয়ার চেষ্টা করবেন না।'