এবার জামাইষষ্ঠীতেও ডিম থেরাপি! রাজনীতির রং রসনায়, নতুন চমক মিষ্টিতে
প্রতিদিন | ১৯ জুন ২০২৬
‘সান ডে হো ইয়া মান ডে, রোজ খাও আন্ডে’, বর্তমানে এই ট্যাগলাইনটাই কাদের জন্য পারফেক্ট, তা হয়তো বলার অপেক্ষা রাখে না। সহজলভ্য প্রোটিন উৎস বর্তমানে প্রতিবাদে ট্রেন্ডিং! নাগালে পেলেই ডিম পড়ছে টুপটাপ। ছোট-বড় নেতারা সেই ভয়ে কুপোকাত। এবার জামাইষষ্ঠীর বাজারে হাতে গরম ট্রেন্ডকেই বেছে নিল শহরের নামকরা মিষ্টি বিপণী।
ফেলু মোদকের পরিকল্পনায় এবার শ্বশুর-শাশুড়িরা জামাইকে ‘ডিম থেরাপি’র সুযোগ পাবেন! দোকানে ঢুকলেই দেখতে পাবেন, শোকেসে সাজানো সারি সারি ডিম। এবার জামাইষষ্ঠীর আগে এটাই আসল চমক বলে মনে করছেন অনেকে। ডিমের সাদা অংশ ছানার। ভিতরে আমের পাল্প দিয়ে তৈরি কুসুম। প্রতি পিস মিষ্টি ডিমের দাম রাখা হয়েছে ২৫ টাকা। ফেলু মোদক কর্তৃপক্ষ অমিতাভ দে জানিয়েছেন, “জামাইষষ্ঠীর দু’দিন আগে থেকেই এই মিষ্টি পাওয়া যাচ্ছে। শনিবার অর্থাৎ জামাইষষ্ঠীর দিন পর্যন্ত দোকানে পাওয়া যাবে স্পেশাল ডিম মিষ্টি।”
হঠাৎ ডিমকেই কেন বেছে নিলেন এবার জামাইষষ্ঠী স্পেশাল মিষ্টি হিসেবে? বর্তমান পরিস্থিতি মাথায় রেখেই কি আপনারাও মানুষকে ডিম খাওয়াতে চাইছেন? সংবাদ প্রতিদিনের প্রশ্নে মুচকি হেসে অমিতাভ বলেন, “রাজনীতির সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই। ডিমের আদলে মিষ্টি বহু পুরনো। ইলিশ মাছের পেটির শেপেও তো মিষ্টি হয়। এবার সেই পুরনো ঐতিহ্যকেই ফিরিয়ে আনলাম। মানুষ মিষ্টি ডিম খেলে তো আমাদেরই লাভ।”
শুধু তাই নয়, জামাইষষ্ঠীর আগে ডিম মিষ্টি ছাড়াও বাহারি সন্দেশ, রসের মিষ্টিতে সেজে উঠেছে দোকান। বিশ্বকাপের আবহে বিভিন্ন টিমের লোগো ছাপা মিষ্টিও দেখতে পাবেন ফেলু মোদকে গেলে। বাহারি মিষ্টি আহারেও অতুলনীয়। ভ্যারাইটি যেমন আছে, তেমন স্বাদের সঙ্গে কোনও কম্প্রোমাইজ করা হয়নি বলেই জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ক্রেতারা জানাচ্ছেন, রকমফের যা-ই থাকুক না কেন, দোকানে ঢুকেই প্রথম নজর কাড়ছে স্পেশাল ‘ডিম’।