হুইপ জারি সত্ত্বেও বৈঠকে অনুপস্থিত দলের ৬ সাংসদ, উদ্ধব শিবিরে ভাঙন স্পষ্ট
বর্তমান | ১৯ জুন ২০২৬
নয়াদিল্লি ও মুম্বই: শুক্রবার শিবসেনার প্রতিষ্ঠা দিবস। তবে তার ঠিক আগে বৃহস্পতিবার উদ্ধব থ্যাকারের শিবিরে ফের ভাঙনের ইঙ্গিত আরও স্পষ্ট হয়ে গেল।
এদিন দিল্লিতে উদ্ধবের শিবসেনা (ইউবিটি)-র জরুরি সংসদীয় দলের বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য হুইপ জারি হয়েছিল। তবে সেই হুইপ অমান্য করে অনুপস্থিত রইলেন দলের ৯ লোকসভা সদস্যের মধ্যে ৬ জনই। সূত্রের খবর, ‘বিদ্রোহী’ এই ৬ সাংসদ লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে চিঠি লিখে একনাথ সিন্ধের শিবসেনার যোগ দিতে চাওয়ার কথা জানিয়েছেন। ফলে ২০২২ সালের পর টিম উদ্ধব যে ফের ভাঙছে, তা একপ্রকার স্পষ্ট। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাওয়ার বিষয়টি টের পেয়ে বিদ্রোহী সাংসদদের ফের ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলে নিশানা করেছেন শিবসেনা (ইউবিটি) রাজ্যসভা সাংসদ সঞ্জয় রাউত। তিনি জানান, বৈঠকে গরহাজির সাংসদদের শোকজ করা হয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যে জবাব না এলে তাঁদের বহিষ্কার চেয়ে স্পিকারকে চিঠি দেওয়া হবে। রাউতের হুমকি, জনমত উপেক্ষা করায় শিবসৈনিকদের প্রবল অবরোধের মুখে পড়তে হবে বিদ্রোহীদের। নিজেদের নির্বাচনি ক্ষেত্র ও বাড়িতে ঢোকার জন্যও ভারতীয় সেনার নিরাপত্তা দরকার হবে তাঁদের।
তাহলে কি ফের আদালতের দ্বারস্থ হবে উদ্ধবের শিবসেনা? প্রশ্ন শুনেই পালটা তোপ দাগেন রাউত। তিনি বলেন, ‘দেখা যাক। এখন যা ঘটছে তার জন্য সুপ্রিম কোর্টও দায়ী। দেশে গণতন্ত্রের অবমাননার ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্ট এবং নির্বাচন কমিশনই প্রধান অপরাধী।’ তাঁর এই মন্তব্যে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পালটা সুর চড়িয়েছে বিজেপি এবং তাদের শরিক শিবসেনার সিন্ধে শিবিরও।
সূত্রের খবর, সিন্ধে শিবিরে যোগ দিতে চেয়ে ‘বিদ্রোহী’ সাংসদদের চিঠি স্পিকারের দপ্তরে জমা পড়লেও এজন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া এখনও শেষ হয়নি। সিন্ধে সেনা সূত্রে দাবি, শিবসেনা (ইউবিটি) তে উদ্ধবের ছেলে আদিত্যর পদোন্নতি ও জোটসঙ্গী কংগ্রেসের সঙ্গে দলের মিশে যাওয়ার মতো আশঙ্কায় ভুগছিলেন বিদ্রোহী সাংসদরা।