হুগলি নদীতে কত নৌকায় হবে যোগাসন? গিনেস বুকে বিশ্বরেকর্ড হতে পারে
আজ তক | ১৯ জুন ২০২৬
আন্তর্জাতিক যোগ দিবস ঘিরে এলাহি আয়োজন পশ্চিমবঙ্গে। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আসছেন বলে কথা! রেড রোডে তিনি যোগাসন করবেন। যোগাসন করবে তামাম দুনিয়া। কলকাতায় যোগ দিবসকে স্মরণীয় করতে ব্যাপক আয়োজন করা হয়েছে। হুগলি নদীতে নৌকায় হবে যোগাসন। এই অভিনব উদ্যোগের সাক্ষী হবে গোটা বিশ্ব। গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে তোলার লক্ষ্যেই এই আয়োজন বলে জানা যাচ্ছে।
হুগলি নদীতে ৫০০-র বেশি নৌকায় যোগাসন
রাজ্য সরকার সূত্রের খবর, ২১ জুন রবিবার বাবুঘাট থেকে ছাড়বে ৫০০-র বেশি বড় নৌকা। সেই সব নৌকায় যোগাসন হবে। সুন্দরবন থেকে প্রচুর বোট আনা হচ্ছে। সুন্দরবন বোটস অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, রাজ্য সরকারের তরফে তাদের কাছে আমন্ত্রণপত্র গিয়েছে, যোগদিবসে অংশ নেওয়ার জন্য। গঙ্গাবক্ষে কয়েক হাজার মানুষ যোগাসন করবেন।
শতাধিক যোগ প্রশিক্ষককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কলকাতার রেড রোড থেকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মূল অনুষ্ঠানে নেতৃত্ব দেবেন। সেখানে প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ একসঙ্গে যোগাভ্যাসে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এবারের যোগ দিবসের মূল ভাবনা ‘সুস্থ বার্ধক্যের জন্য যোগ’। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, মূল অনুষ্ঠানের পাশাপাশি হুগলি নদীতে ৫০০টি নৌকায় একযোগে যোগ প্রদর্শনের আয়োজনও করা হতে পারে। অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য শতাধিক যোগ প্রশিক্ষককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই অনলাইন ও অফলাইনে প্রস্তুতি এবং অনুশীলন পর্ব শুরু হয়ে গিয়েছে। শুধু কলকাতাতেই নয়, গঙ্গার তীর, সুন্দরবন, গ্রামাঞ্চল থেকে শুরু করে শহরের রাস্তা, পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে যোগ দিবস উপলক্ষে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
সরকারি কর্মীদের যোগ দিবসে অংশ নেওয়া বাধ্যতামূলক
ইতিমধ্যেই নবান্নের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যোগ দিবসে সব সরকারি কর্মীকে অংশ নিতেই হবে। এটি বাধ্যতামূলক। ওই দিন সকাল সাড়ে ৬টা থেকে ৭টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত সরকারি কর্মীদের উপস্থিত হতে হবে তাঁদের সংশ্লিষ্ট দফতর, আবাসন অথবা রেড রোড বা মিলন মেলা প্রাঙ্গণে।
পশ্চিমবঙ্গে যোগ দিবস কার্নিভ্যাল শুরু হয়ে গিয়েছে। আজ অর্থাত্ শুক্রবার ‘রান ফর যোগা’ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। কলকাতা পুরসভার সামনে থেকে রাইটার্স বিল্ডিংস পর্যন্ত যোগ দিবসের সমর্থনে ম্যারাথন হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, 'যোগ নিয়ে মানুষের মধ্যে উৎসাহ তৈরি হয়েছে। এই প্রথম ১২তম যোগ দিবসে পশ্চিমবঙ্গ সরকার সরকারি ভাবে এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করছে। এ বার পশ্চিমবঙ্গ এই অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। আশা করি, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এই কার্যক্রম সফল হয়ে একটি রেকর্ড তৈরি করতে পারবে।'