• থাইল্যান্ড-উটি থেকে এসেছে ফুল, বাঙালিয়ানা ছবির সম্ভার মঞ্চে, তারকেশ্বরে ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’-এর আয়োজন কেমন?
    এই সময় | ১৯ জুন ২০২৬
  • থাইল্যান্ড থেকে আনা হয়েছে অ্যান্থুরিয়াম। তামিলনাড়ুর উটি থেকে আনা হয়েছে জারবেরা, লিলি। ফুলের সম্ভার দিয়ে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে মঞ্চ।সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে বাংলা। ২০ জুন, তারকেশ্বরের মাটিতে উদযাপিত হতে চলেছে ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস।’ সেই অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। মঞ্চসজ্জার শিল্পীরা দুর্যোগকে উপেক্ষা করে কাজ করে চলেছেন। শুক্রবার অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন রাজ্যের জনস্বাস্থ্য ও কারিগরীমন্ত্রী অজয়কুমার পোদ্দার, বিধায়ক সন্তু পান, দীপাঞ্জন গুহ। উপস্থিত ছিলেন একাধিক জনপ্রতিনিধি ও জেলা প্রশাসনের কর্তারা।

    তারকেশ্বর বৈদ্যবাটি ১২ নম্বর রোডের পাশে বালিগড়ি মাঠে পশ্চিমবঙ্গ দিবসের মূল অনুষ্ঠান হবে। তার জন্য পাঁচটি হ্যাঙার টাঙানো হয়েছে। পাশেই হয়েছে হেলি প্যাড। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ অন্যান্য মন্ত্রী ও আধিকারিক উপস্থিত থাকবেন।

    অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চে রয়েছে গৈরিক ছোঁয়া। প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থলের দু’পাশে আরও দু’টি করে হ্যাঙ্গার অর্থ্যাৎ মোট ৫টি হ্যাঙ্গার করা হয়েছে। পাশাপাশি কলকাতার পুরোনো দিনের হলুদ ট্যাক্সি, হাতে টানা রিক্সা, দক্ষিণেশ্বর মন্দির, বেলুড় মঠ, মাটির দ্রব্য তৈরির কারিগর-সহ একাধিক ঐতিহ্যবাহী শিল্পকলা ও বাংলার একাধিক সংস্কৃতির ছবি লাগানো হয়েছে সভাস্থলের চারিদিকে। চলছে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে চেকিং। বিভিন্ন রকমের ফুল দিয়ে সাজানো হচ্ছে মঞ্চ। তমলুক থেকে ২৬ জন ফুলের কারিগর মঞ্চ সাজিয়ে তোলার কাজ করছেন গত কয়েকদিন ধরে। থাইল্যান্ড, উটি-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আনা হয়েছে হরেক রকমের ফুল।

    এক শিল্পী একাদশী সামন্ত বলেন, ‘২৬শে রাজনৈতিক পালাবদলের পরে এই প্রথম রাজ্যে প্রধানমন্ত্রীর বড় অনুষ্ঠান। আমরা ফুলের সাজসজ্জা করার জন্য এসেছি। খুবই আনন্দিত।’ শিল্পী রতন মালিক বলেন, ‘আমরা তমলুক থেকে এসেছি। অনেক রকমের ফুল দিয়ে আমরা স্টেজ সাজাচ্ছি। এ বার নতুন সরকার। তাই স্পেশাল ভাবে সাজানো হচ্ছে।’

    শুক্রবার সকাল থেকে তুমুল বৃষ্টি শুরু হওয়ায় কাজে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটে। জলমগ্ন হয়ে পড়ে অনুষ্ঠানের মাঠ। দ্রুত জল নামানোর কাজ শুরু হয়। চন্দননগরের বিধায়ক দীপাঞ্জন গুহ বলেন, ‘পূর্ত দপ্তর, বিদ্যুৎ দপ্তর, দমকল-সহ সব দপ্তরের লোকজন কাজ করছে। জল বের করার জন্য পাম্প বসানো হয়েছে। বালি, স্টোন চিপসের গুঁড়ো ফেলা হচ্ছে। বালির ব্যাগ আনা হচ্ছে। সবাই মিলে দিন রাত কাজ করছে।’ বিধায়ক সন্তু পান বলেন, ‘প্রতিকূলতা আছে, থাকবেও। কিন্তু সেটা কী ভাবে জয় করা যায় সেটা আমরা জানি। দুই লক্ষের বেশি মানুষের সমাগম হবে।’

  • Link to this news (এই সময়)