আজকাল ওয়েবডেস্ক: কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তৃণমূলে থেকে বিদ্রোহ করেছিলেন। তাঁর নেত্তৃত্বেই সংখ্যাগরিষ্ঠ সাংসরা পৃথক হয়ে গিয়েছেন তৃণমূল থেকে। পৃথক হয়ে মিশে গিয়েছেন অন্য দলের সঙ্গে। মমতার এক সময়ের অত্যন্ত আস্থাভাজন কাকলি শুক্রবার ফের চর্চায়, তাঁর এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের জন্য।
শুক্রবার কাকলি ঘোষ দস্তিদার সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, 'সর্বসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আমার স্ক্যান করা বা ডিজিটাল স্বাক্ষর, আধার কার্ড এবং প্যান কার্ড কোনওভাবেই ব্যবহার করার জন্য আমি কাউকে কোনও অনুমতি দিইনি। যদি কাউকে এই ব্যক্তিগত নথিপত্রগুলো ব্যবহার করতে দেখা যায়, তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং এর ফলে তৈরি হওয়া পরিস্থিতির যাবতীয় খরচ ও পরিণতির দায়ভার সম্পূর্ণভাবে তাদেরই বহন করতে হবে।'
ঠিক তারপর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় জোর গুঞ্জন, কাদের দিকে ইঙ্গিত লোকসভার সাংসদের। সংসদে তৃণমূল এককথায় ভেঙে খানখান। সংখ্যাগরিষ্ঠ সাংসদরা মিশে গিয়েছেন এনসিপিআই দলে, সমর্থন করবেন এনডিএ'কে, সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তাঁরা। বিদ্রোহী সাংসদ ইস্যুতে রবিবারই অভিষেক ব্যানার্জি চিঠি দিয়েছিলেন লোকসভার অধ্যক্ষকে। শুক্রবার লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন অভিষেক। দিল্লিতে পৌঁছে গিয়েছেন ঘণ্টাখানেক আগেই।
এর আগে, স্পিকারকে লেখা চিঠিতে অভিষেক অত্যন্ত স্পষ্ট এবং দৃঢ় ভাষায় মনে করিয়ে দেন যে, তৃণমূল কংগ্রেস একটি অখণ্ড এবং অবিভাজ্য রাজনৈতিক দল। আইন অনুযায়ী, লোকসভার পরিষদীয় দল কখনই মূল রাজনৈতিক দলের বাইরে স্বাধীন কিছু নয়, বরং সেটি মূল দলেরই একটি অংশ মাত্র। তাই কয়েকজন সাংসদ নিজেদের ইচ্ছামতো দল থেকে বেরিয়ে এসে আলাদা কোনও গোষ্ঠী তৈরি করতে পারেন না এবং সংসদের ভেতরে তেমন কোনও স্বতন্ত্র স্বীকৃতিও দাবি করতে পারেন না। দল ও দলের হুইপের সিদ্ধান্তই এখানে চূড়ান্ত। বৈঠকে কী উঠে আসে, এখন সব পক্ষের নজর সেদিকেই।