তারাপীঠে কড়া পদক্ষেপ প্রশাসনের, বন্ধ একাধিক হোটেল! হঠাৎ কী হল, জানুন বিস্তারিত
News18 বাংলা | ২০ জুন ২০২৬
সাধক বামদেবের অন্যতম তীর্থভূমি তারাপীঠ মা তারার মন্দির। এই মন্দিরকে কেন্দ্র করে তারাপীঠে গড়ে উঠেছে কয়েকশো ছোট বড় লজ। তবে এই তারাপীঠের মধ্যে শতাধিক হোটেল ও লজ দমকল দফতরের পর্যাপ্ত অনুমতি পাশাপাশি খাদ্য সুরক্ষা ও তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদের অনুমতি ছাড়াই দেদার চলছে। এর ফলে একদিকে যখন সরকারি রাজস্ব আদায়ের সমস্যা হচ্ছিল ঠিক তেমনি অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা না থাকায় পর্যটকদের দিনের পর দিন ঝুঁকি নিয়ে থাকতে হচ্ছিল।
বিগত তৃণমূল সরকারের আমলে এই বিষয় নিয়ে সমস্ত ধরনের কথা স্বীকার করা হলেও প্রশাসন কোনও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। তবে রাজ্যে পালাবদলের পরেই রামপুরহাট মহাকুমা শাসক নিয়মভঙ্গনকারী মোট আটটি হোটেল কর্তৃপক্ষকে নোটিশ দিয়েছেন অবিলম্বে হোটেল বন্ধ করার জন্য। প্রসঙ্গত তারাপীঠ চত্বর জুড়ে নিয়ম না মেনে একটি লজের গা ঘেঁষে আরেকটি লজ গড়ে উঠেছে।
এই গলি থেকে শুরু করে ওই গলি সর্বত্রই মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে রয়েছে লজ অথবা হোটেল। যে কোনও ধরনের অগ্নিকাণ্ডের মতন সমস্যা হলে দমকল বাহিনীর প্রবেশের কোনও ধরনের রাস্তা নেই। সবথেকে খারাপ অবস্থা চন্ডিপুর মৌজার পূর্বসাগর সংলগ্ন ভিআইপি রোড এবং দ্বারকা নদের ব্রিজ সংলগ্ন এলাকাগুলি। হোটেল থেকে দেদার নোংরা আবর্জনা ফেলা হচ্ছে তারাপীঠের পবিত্র দ্বারকা নদে। পুকুর জলাশয় বুঝিয়ে গড়ে উঠেছে লজ অথবা হোটেল। আবার খাবারের হোটেলগুলির অধিকাংশই ফুড লাইসেন্স নেই।
তৃণমূল সরকারের আমলে এই নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠলেও কার্যত নিশ্চুপ ছিলেন তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদ কর্তৃপক্ষ। এই বিষয়ে রামপুরহাট মহকুমা শাসক অশ্বিন বি রাঠোর বলেন, “রাজ্যে পালা বদলের পর এই প্রথম নয়, তৃণমূল সরকারের আমলেও এই হোটেলগুলিকে নোটিস দিয়ে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স করে নেওয়ার জন্য বলা হয়েছিল। কিন্তু তারপরও বেআইনিভাবে চলছিল হোটেল। আগে সেগুলিকেই নোটিস দিয়ে বন্ধ করার জন্য বলা হয়েছে। এরপরও হোটেল বন্ধ না করলে প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।”