জমজমাট জামাইষষ্ঠীর মাছ বাজার! ইলিশ-চিংড়ি থেকে রুই-কাতলা, শনিবার কত দামে বিক্রি হবে কোন মাছ?
News18 বাংলা | ২০ জুন ২০২৬
রাতব পোহালেই জামাইষষ্ঠী। আর সেই উৎসবকে ঘিরে মালদহের বিভিন্ন মাছের বাজারে এখন উপচে পড়া ভিড়। প্রিয় জামাইকে পছন্দের পদ রেঁধে খাওয়াতে শ্বশুর-শাশুড়িরা সকাল থেকেই বাজারমুখী হলেও মাছের বাড়তি দামে অনেকেই পড়েছেন চরম বিপাকে। ইলিশ, গলদা চিংড়ি, রুই, কাতলা, চিতল থেকে পাবদা সব ধরনের মাছের দামই উৎসবের আগে বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ক্রেতা ও বিক্রেতারা।
মালদহ শহরের রথবাড়ি-সহ বিভিন্ন খুচরো ও পাইকারি মাছের বাজারে এদিন ছিল ক্রেতাদের ভিড়। কেউ দরদাম করে ইলিশ কিনছেন, কেউ আবার রুই বা কাতলা নিয়েই সন্তুষ্ট হচ্ছেন। তবে দাম বেশি হলেও জামাই ষষ্ঠীর আয়োজন সম্পূর্ণ করতে প্রয়োজনীয় মাছ কিনতেই হচ্ছে অধিকাংশ পরিবারকে।
মাছ ব্যবসায়ী আমিউল মহালদার জানান, জামাইষষ্ঠী উপলক্ষে মাছের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দামেরও কিছুটা ঊর্ধ্বগতি হয়েছে। তাঁর কথায়, সাইজ অনুযায়ী ইলিশের দাম প্রতি কেজি ৪০০ থেকে ১,৮০০ টাকা। কাতলা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, রুই ২২০ টাকা, আড় ৬০০ টাকা এবং পাবদা ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে মানুষের ভিড়ও অন্যান্য দিনের তুলনায় অনেক বেশি।
ক্রেতা লক্ষ্মী দাস বলেন, “দাম বেড়েছে ঠিকই, কিন্তু জামাইষষ্ঠীতে তো আর কমতি রাখা যায় না। জামাইকে ভালোভাবে আপ্যায়ন করতে মাছ, মাংস, দই, মিষ্টি-সহ নানা পদের আয়োজন করতেই হয়। তাই বেশি দাম হলেও ইলিশ ও কাতলা কেনার পরিকল্পনা করেছি।” ব্যবসায়ীদের মতে, গঙ্গার কাতলা, ইলিশ এবং বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছের চাহিদাই এবার সবচেয়ে বেশি। উৎসবের কারণে আগামী কয়েক দিন দাম কিছুটা বেশি থাকলেও জামাই ষষ্ঠী কেটে গেলে বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মাছের দামও কমে আসতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিক্রেতারা। জামাইকে সেরা আপ্যায়ন করতে বাড়তি খরচের চাপ মেনেও তাই বাজারে ভিড় জমাচ্ছেন মালদহের শ্বশুর-শাশুড়িরা।