• রাখালের ভূমিকায় সিভিক ভলান্টিয়াররা, লাঠি হাতে গবাদি পশুর পিছনে ধাওয়া! কী চলছে দেখুন...
    News18 বাংলা | ২০ জুন ২০২৬
  • শহরের ব্যস্ত রাস্তায় গবাদিপশুর অবাধ বিচরণ রুখতে এবার কার্যত রাখালের ভূমিকায় দেখা গেল সিভিক ভলান্টিয়ারদের। লাঠি হাতে সাহাপুর দ্বিতীয় সেতু সংলগ্ন এলাকায় পাহারা দিয়ে গরুর পালকে শহরে প্রবেশে বাধা দিতে দেখা যায় তাঁদের। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিদিন পুরাতন মালদহের সাহাপুর এলাকা থেকে দলে দলে গরু মালদহ শহরে প্রবেশ করে। সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে রথবাড়ি, ফোয়ারা মোড়, ভবানী মোড়-সহ একাধিক ব্যস্ত এলাকায় গবাদিপশুর জমায়েত হয়।

    এর ফলে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ে। সমস্যায় পড়তে হয় পথচারী ও যানবাহন চালকদের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা ট্র্যাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে গরুর মালিকদের সচেতন করতে মাইকিং করা হলেও তাতে বিশেষ ফল মেলেনি। তাই শহরে গরুর আনাগোনা রুখতে সাহাপুর সেতু এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে একাধিক সিভিক ভলান্টিয়ার। প্রতিদিন সন্ধ্যায় তাঁদের গোরুর পালকে ফিরিয়ে দিতে যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে।

    শহরের এক টোটো চালক তরিকুল হক বলেন, “অনেক সময় আচমকাই গাড়ির সামনে গরু চলে আসে। দুর্ঘটনা এড়াতে হঠাৎ ব্রেক করতে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটে যায়। শহরের রাস্তায় গোরুর আনাগোনা রুখতে পুলিশ ব্যবস্থা নিচ্ছে। এর ফলে দুর্ঘটনা এড়ানো যাবে।” এই বিষয়ে যাদব মহাসভার রাজ্য সভাপতি শ্যামচাঁদ ঘোষ বলেন, “খাবারের সন্ধানে অনেক সময় গবাদিপশু শহরমুখী হয়। গরুর মালিকদের পশুগুলিকে বেঁধে রাখার অনুরোধ করছি।

    এমনকী শহরবাসীকেও রাস্তায় খাবার না দেওয়ার আহ্বান করা হচ্ছে। পাশাপাশি গবাদিপশুর জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য ও রাখার ব্যবস্থা করতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।” প্রশাসনের দাবি, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্ন যান চলাচল নিশ্চিত করতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শহরের মুখে প্রবেশ রুখতে ট্র্যাফিক পুলিশের তরফে সিভিক ভলান্টিয়ার মোতায়েন থাকছে। এই পাহারার ফলে গবাদিপশুর অবাধ বিচরণ নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে মনে করছেন যান চালক থেকে সাধারণ মানুষ।
  • Link to this news (News18 বাংলা)