• শাড়ি-আম হাতে শ্বশুরবাড়িতে বিধায়ক কৌস্তভ, মন্ত্রী দিলীপের জামাইষষ্ঠী কেমন কাটল?
    আজ তক | ২০ জুন ২০২৬
  • একে নতুন জামাই, তাতে আবার সদ্য জয়ী বিধায়ক। কৌস্তভ বাগচীর শ্বশুরবাড়ি আহ্লাদে আটখানা। তাঁর জন্য এলাহি আয়োজন হবে না, তা আবার হয় নাকি। কিন্তু জামাইয়ের রয়েছে ঠাসা রাজনৈতিক কর্মসূচি। রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী। পশ্চিমবঙ্গ দিবস, যোগ দিবস পালনের প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। তাই দিনভর ব্যস্ততার মাঝেই সকালে একফাঁকে গিয়ে জামাইষষ্ঠী সেরে এলেন তিনি। শাশুড়ির জন্য সঙ্গে করে কী উপহার নিয়ে গেলেন ব্যারাকপুরের বিধায়ক? মেনুতে কী কী ছিল? bangla.aajtak.in-কে নিজেই জানালেন কৌস্তভ বাগচী। 

    কৌস্তভের জামাইষষ্ঠী কেমন হল? 
    আইনজীবী কৌস্তভ এখন ব্যারাকপুরের বিধায়ক। গত নভেম্বরেই বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন তিনি। তাই শত ব্যস্ততা থাকলেও স্ত্রী প্রীতি করের সঙ্গে শ্রীরামপুরে গিয়ে প্রথম জামাইষষ্ঠী সেরে এলেন। শ্বশুর-শাশুড়ি আর শ্যালিকার জন্য হাতে করে নিয়ে গেলেন শাড়ি-জামাকাপড়, আম-মিষ্টি। শ্বশুরবাড়িতে ঢোকার সময়েই তাঁর কথা হল bangla.aajtak.in-এর সঙ্গে। বিধায়ক জামাইয়ের জন্য কী কী আয়োজন করেন শাশুড়ি? কৌস্তভ বলেন, 'ব্যক্তিগত জীবন আর রাজনৈতিক জীবন তো আলাদা। তবে প্রথমবারের জামাইষ্ঠী এটা আমার। কিছু রীতি রয়েছে, সেগুলি অবশ্যই পালন করা হবে। তবে রাজনৈতিক কর্মসূচি রয়েছে। তাই বেশিক্ষণ থাকতে পারব না। এক থেকে দেড় ঘণ্টার মধ্যে বেরিয়ে যাব।'

    সরকারি কর্মসূচি, দলীয় কাজ, বিশ্ব যোগ দিবসের প্রস্তুতি, সব নিয়ে ব্যস্ততা রয়েছে। এর ফাঁকে বিধায়ক জামাইয়ের জন্য রান্নাবান্না করেছিলেন শাশুড়ি। মেনুতে কী কী থাকছে? জবাবে হেসে কৌস্তভ বলেন, 'আমি এখনও পর্যন্ত জানি না কী মেনু হচ্ছে, জিজ্ঞাসা তো করা যাবে না। আমি সব খেতে ভালোবাসি। আমার খাওয়ার ক্ষেত্রে বাদবিচার নেই। ঈশ্বর যা জোটায় তাই খাই। সব মাছ ভালোবাসি, মাটনও খাই। যা খাই পরিতৃপ্তি করে খাই। তবে হাল্কা খাবার পছন্দ, রিচ ঝাল-মশলার খাবার খাই না।'

    জামাইষষ্ঠী খেলেন দিলীপ ঘোষ?
    জামাই এখন রাজ্যের মন্ত্রী। সত্যিই ধরা ছোঁয়ার বাইরে। অগত্যা দিলীপ ঘোষের আর জামাইষষ্ঠীর খাওয়াটা হল না এ বছর। হিসেব মতো এটা তাঁর বিয়ের পর দ্বিতীয় বিবাহবার্ষিকী। কিন্তু রীতি পালন করা সম্ভব হচ্ছে না। bangla.aajtak.in-কে দিলীপের স্ত্রী রিঙ্কু মজুমজার বলেন, 'আমার তো বাবা-মা নেই। আগেরবার প্রথম বছরের জামাইষষ্ঠী হয়েছিল। কারণ আগেরবার ওকে এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তখন তো ও কিছু ছিল না। কিন্তু এখন তো ও মন্ত্রী, দায়িত্ব রয়েছে। তাছাড়া খড়গপুরে রয়েছে। অনেকটাই ব্যস্ত। শাশুড়ি নিয়ে লাঞ্চে যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু হয়ে ওঠেনি ব্যস্ততার মদ্যে। বিকেলের দিকে পারলে শাশুড়ি মা-কে নিয়ে মুকুন্দপুর থেকে ঘুরে আসব।'

    উল্লেখ্য, মুকুন্দপুরে রিঙ্কুর মামার বাড়ি। সেখানেই গতবার জামাইষষ্ঠী হয়েছিল দিলীপ ঘোষের। এবারও সেখানে আয়োজন হয়েছে খাওয়া-দাওয়ার তবে সরকারি কর্মসূচির কারণে দিলীপ ঘোষের আর যাওয়া হয়নি। মন্ত্রী জামাইকে খাওয়া না পেরে তাঁর মামাশ্বশুরবাড়ির লোকজনের খানিকটা আক্ষেপ রয়েছে বটেই। তাঁদের রাগ ভাঙাতে দিলীপ ঘোষের মা-কে নিয়ে রিঙ্কু যাবেন মুকুন্দপুরের বাড়িতে নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে। রিঙ্কু বলেন, 'মা-কে নিয়ে ঘুরে আসতে বললেন উনি। তাই ভাবছি বিকেলে যাব একটু। ঘণ্টাখানেক থাকব।'

     
  • Link to this news (আজ তক)