সুজয় মুখোপাধ্যায়
ঝাড়গ্রামে ভোট প্রচারে গিয়ে রাস্তার গুমটি দোকানে দাঁড়িয়ে ঝালমুড়ি খেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর তাতেই বঙ্গ রাজনীতির অঙ্গ হয়ে উঠেছে মশলা মুড়ি। বিজেপির বিভিন্ন কর্মসূচিতে ঝালমুড়ির স্টল দেখা যায় এখন। এমনকী রাজ্যের সীমা ছাড়িয়ে ভিন রাজ্যের অনুষ্ঠানেও ঝালমুড়ির দেখা মেলে। সোশ্যাল মিডিয়াতে এখন ঝালমুড়ি বানানো শেখান নামজাদা শেফরা। আর এ বার জামাইষষ্ঠীর বাজারেও দেখা মিলল ঝালমুড়ির। যদিও সন্দেশের আকারে। হুগলির চন্দননগরের বিখ্যাত মিষ্টান্ন প্রতিষ্ঠান জামাইষষ্ঠী উপলক্ষে তৈরি করেছে ঝালমুড়ি সন্দেশ।
জামাইষষ্ঠীর আগের দিন থেকেই সেই মিষ্টি কেনার লম্বা লাইন দোকানে। চন্দননগরের ওই দোকানের মালিক ধনঞ্জয় দাস বলেন, ‘জামাইষষ্ঠী উপলক্ষে অনেক ধরনের মিষ্টি তৈরি হয়েছে। তবে এ বার সকলের নজর গিয়ে ঝালমুড়ি সন্দেশে আটকাচ্ছে। সঙ্গে জয় শ্রীরাম লেখা সন্দেশও আছে। যে হেতু প্রধানমন্ত্রী খাওয়ার পরে বাংলার ঝালমুড়ি নতুন এক মাত্রা পেয়েছে, তাই ঝালমুড়ি সন্দেশ তৈরি করেছি। সন্দেশের মধ্যে থাকছে কাজু, কিশমিশ, পেস্তা। নারকেলের টুকরো দিয়ে সাজানো হয়েছে।’
এ ছাড়া অতি পরিচিত মিষ্টির বিকিকিনি তো আছেই। কালো জামের শ্রীখণ্ড, ডার্ক চকোলেটের লাড্ডু, নানা রকমের ড্রাই ফ্রুটের লাড্ডু, মিষ্টিও এ বার দেদার বিক্রি হয়েছে।