• রুবি মোড়ের কাছে সরকারি জমি থেকে মাটি পাচারের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩
    বর্তমান | ২১ জুন ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: তৃণমূলের আমলে বালি পাচার, কয়লা পাচারের অভিযোগকে রাজনৈতিক অস্ত্র করেছিল বিজেপি। তারপর সরকার বদলে গিয়েছে। কিন্তু পাচার বন্ধ হয়নি। এবার খাস কলকাতায় সরকারি জমি থেকে মাটি পাচারের অভিযোগ উঠল। আনন্দপুর থানা এলাকায় রুবি মোড়ের কাছে একটি ফাঁকা জমি থেকে লরি বোঝাই করে মাটি পাচারের অভিযোগ করেছে কলকাতা মেট্রোপলিটন অথরিটি (কেএমডিএ)। ঘটনাস্থলে হানা দিয়ে মাটি চুরি আটকে দিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয়েছে তিনজনকে। জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার সকালে কেএমডিএর এক এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার পদমর্যাদার অফিসার অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, রুবি মোড়ের কাছে কসবা মৌজায় (ইকেএডি প্রজেক্ট) একটি সরকারি জমি থেকে বেআইনিভাবে মাটি তোলা হচ্ছে। অভিযোগে পেয়েই কেএমডিএর আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় আনন্দপুর থানার বিরাট টিম। হাতেনাতে পাকড়াও করা হয় তিনজনকে। তাঁদের নাম গোপাল ধারা (৪২), শঙ্কর ভুইঞাঁ (৫৫) ও দীপঙ্কর মণ্ডল (২৫)। দেখা যায়, তাঁরা সরকারি জমি থেকে বিনা অনুমতিতে মাটি তুলছেন। জমির পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছে একটি আধবোঝাই লরি। মাটি তোলার অনুমতি রয়েছে কি না, জিজ্ঞাসা করলে তাঁরা জানায় হ্যাঁ। কিন্তু, কোনও সরকারি নথি দেখাতে পারেনি। তখন ওই তিনজনকে আটক করে আনন্দপুর থানার টিম। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে লরিটিও। পুলিশ জানিয়েছে, গোপাল ও দীপঙ্কর কালিকাপুরের বাসিন্দা। শঙ্কর দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবার। লরিটি কার? কার নির্দেশে রুবির জমি থেকে মাটি পাচার চলছিল? সবটাই তদন্তকারীদের স্ক্যানারে। উল্লেখ্য, এই কসবা, রুবি, আনন্দপুর এলাকায় তোলাবাজির আঁতুড়ঘর তৈরি করে ফেলেছিলেন প্রাক্তন কাউন্সিলার সুশান্ত ঘোষ। পুরী থেকে কলকাতা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলারকে ‘আনন্দপুরের গুলশন কলোনির জনক’ বলে উল্লেখ করেন সরকারি আইনজীবী। এই মাটি পাচারের চক্রের সঙ্গে তিনি কোনোভাবে জড়িত কি না, তাও নজরে রাখছে পুলিশ।
  • Link to this news (বর্তমান)