১২ তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে কলকাতার রেড রোডে যোগাভ্যাস সারলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে বেশ কয়েকটি আসন অনুশীলন করতে দেখা যায়। যোগাভ্যাসে অংশগ্রহণ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। বেশ কয়েকটি যোগাসন করার পর প্রধানমন্ত্রী ঘুরে ঘুরে বাকিদের অনুশীলন দেখেন। কয়েকজনের যোগাসন করার ভঙ্গি শুধরে দিতেও দেখা যায় তাঁকে। এদিন বিশ্বের উন্নতিতে যোগের প্রয়োজনীয়তার কথা স্মরণ করান তিনি।
২০১৪ সালের ১১ ডিসেম্বর যোগ দিবসকে স্বীকৃতি দিয়েছে রাষ্টসংঘ। এরপর থেকে বিশ্বজুড়ে ২১ জুন তারিখ আন্তর্জাতিক যোগ দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, গোটা বিশ্বকে এক করে দিয়েছে যোগ। আজ গোটা বিশ্বে যোগ সমাদৃত হয়েছে। ১৯২টি দেশে সারম্বরে উৎযাদিপ হচ্ছে যোগ দিবস। বয়সকালে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে যোগ। যোগ জীবনে চেতনার প্রকাশ ঘটায়। যোগকে ঘিরে দেশজুড়ে উত্তেজনা। যোগ শুধু শারিরীক শ্রম নয়। যোগ সকলকে জুড়ে দেয়। ২১ জুনকে বিশ্বের সবথেকে বড় উৎসবের দিন বলে উল্লেখ করেন মোদি।
প্রধানমন্ত্রী জানান, যোগ শুধুমাত্র অল্পবয়সিদের জন্য নয়, সব বয়সিদের জন্য। যোগব্যায়াম শুধুমাত্র আমাদের জীবনযাত্রার জন্য় অপরিহার্য নয়, বরং বিশ্বের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্যও এটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তবে শুধুমাত্র একদিন নয়, সারা বছর যোগাভ্যাস করার জন্য মানুষের কাছে আহ্বান জানান তিনি। যোগকে জীবনের, পরিবারের ও আগামী প্রজন্মের অংশ করে তুলতে সকলে যাতে সংকল্প করে সেই আর্জি জানান মোদি।
নিজের বক্তব্যে একাধিকবার যোগাভ্যাসের উপকারিতার কথা স্মরণ করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, নিয়মিত যোগাভ্যাস করলে বার্ধক্যেও সুস্থ থাকা যায়। বয়স মানুষের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়। কিন্তু যোগ সেই কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। তাঁর কথায়, “৩০ বছর বয়সে আমরা যতটা প্রাণবন্ত ছিলাম তার থেকে বেশি প্রাণবন্ত ৫০ বছর বয়সে থাকতে হবে। এটাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত। যোগার কারণে আমাদের এনার্জি সব সময় বেশি থাকে। এছাড়াও যোগাভ্যাস শান্ত ও চিন্তামুক্ত জীবনযাপন করতে সাহায্য করে।”