আর কয়েকঘণ্টার অপেক্ষা। বেলা ২টো থেকে শুরু হচ্ছে Re-NEET। NTA জানিয়েছে, ভারতের ৫৫১টি শহর ও বিদেশের ১৪টি শহরের মোট ৫,৪৪০টি কেন্দ্রে ইংরেজি এবং ১২টি ভারতীয় ভাষায় এই পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হবে। ৯৫,০০০-এরও বেশি পরীক্ষা কক্ষে সিসিটিভি (CCTV) বসানো হয়েছে এবং ১ লক্ষ ৩৮ হাজারের বেশি ক্যামেরার মাধ্যমে জাতীয় ও রাজ্য স্তরে সরাসরি নজরদারি চালানো হচ্ছে।
পরীক্ষার আগে এ দিন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ভারতের শিক্ষার্থীদের উপরে আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। প্রায় ২২ লক্ষ শিক্ষার্থী শীঘ্রই NEET পরীক্ষায় অংশ নিতে চলেছেন। নির্ভয়ে ও দুশ্চিন্তামুক্ত হয়ে পরীক্ষায় বসুন; আপনারা নিশ্চয়ই ভালো ফলাফল করবেন—শিক্ষার্থীদের প্রতি আমার এই শুভকামনা রইল। ভারতের পরীক্ষা ব্যবস্থার প্রতি তাদের আস্থা আছে এবং ভবিষ্যতেও তা অটুট থাকবে। এই অবিচল আস্থা যেন বজায় থাকে।’
NEET-সহ একাধিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার ঘটনায় ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পড়ুয়াদের প্রতিবাদ করতে দেখা গিয়েছে। রাস্তায় নেমেছেন NEET পরীক্ষার্থীরাও। তবে মন্ত্রীর কথায়, ‘দয়া করে ভারতের নতুন প্রজন্মের ভবিষ্যৎকে বিপন্ন করবেন না। কেউ যেন একে নিয়ে উপহাস না করে। আমরা যেন এমন কিছু না করি যা পড়ুয়াদের মানসিক স্বাস্থ্যের উপরে বিরূপ প্রভাব ফেলে।’
পরীক্ষাকেন্দ্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI)-এর সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। ৫১,০০০-এরও বেশি জ্যামার (jammer) মোতায়েন করা হয়েছে। প্রতিটি কক্ষে দু’জন করে পরিদর্শক থাকবেন এবং প্রতিটি কেন্দ্রে তাঁদের সহায়তার জন্য ১০ জনেরও বেশি কর্মী নিয়োজিত থাকবেন।
পরীক্ষাকেন্দ্রে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রায় ৩৮,০০০ নিরাপত্তারক্ষী, ফেস অথেন্টিকেশন প্রযুক্তি-সহ ৪৮,০০০-এরও বেশি বায়োমেট্রিক কর্মী এবং প্রায় ৬,৭০০ পর্যবেক্ষককে মোতায়েন করা হয়েছে। পরীক্ষার সামগ্রী নিরাপদে পরিবহণের জন্য পুলিশ, আধা-সামরিক বাহিনী, ভারতীয় বিমান বাহিনী এবং ডাক বিভাগকে কাজে লাগানো হয়েছে। উল্লেখ্য, পরীক্ষার সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা ও পদ্ধতি যাচাই করার লক্ষ্যে গত ২০ জুন দেশজুড়ে একটি মক ড্রিল (mock drill) বা মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছিল।