তৃণমূলে ভাঙন চলছেই। এ বার দলের সংখ্যালঘু সেলের রাজ্য সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিলেন মোশারফ হোসেন। তিনি উত্তর দিনাজপুরের ইটাহারের বিধায়কও। রবিবার পদ ছাড়ার কথা ঘোষণা করেন তিনি। আর এর পরেই জোর গুঞ্জন, এ বার কি তবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের ‘আসল তৃণমূল’ শিবিরে যোগ দিতে চলেছেন তিনিও?
রবিবার ইটাহারের চেকপোস্ট সংলগ্ন নিজের বাড়িতে বসেই পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন মোশারফ। তিনি বলেন, ‘আমি দলকে জানিয়ে দিয়েছি যে, সংখ্যালঘু সেলের পদে থাকছি না। আমার কাজ করতে অসুবিধা হচ্ছে। পদ আঁকড়ে বসে থেকে যদি কাজ করতে না পারি, থেকে কী করব? মায়েরও শরীর ভালো না। আমারও চিকিৎসার জন্য বাইরে যেতে হবে।’
এই মুহূর্তে তৃণমূলের পরিষদীয় দলে দু’টি লবি। একটি কালীঘাট লবি, অন্যটি ‘আসল তৃণমূল’ লবি। মোট ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে সিংহভাগই দ্বিতীয় লবিতে রয়েছেন। মোশারফ অবশ্য বলছেন, আপাতত তিনি কোনও দিকেই নেই। বিধায়ক হিসেবে থাকছেন শুধু। বাকিটা সময় বলবে।
তবে মোশারফ জানান, বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে যে বিধায়করা, তাঁদের কারও কারও সঙ্গেও কথা হয়েছে। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসা করেন তিনি। জানান, এক সময়ে একসঙ্গে কাজও করেছেন তাঁরা। বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরে মুখ্যমন্ত্রীর মালদা সফরেও গিয়েছিলেন তিনি। বিধানসভাতেও কথা হয়েছে। আগামী দিনে উন্নয়নের স্বার্থে তাঁর পরামর্শও নেবেন বলে জানান মোশারফ।