• বিশ্বভারতীতে এবার শুরু হচ্ছে ছাগল চাষ, গড়ে তোলা হচ্ছে নতুন ইউনিট
    প্রতিদিন | ২১ জুন ২০২৬
  • বিশ্বভারতীতে প্রথমবার শুরু হতে চলেছে উন্নত প্রজাতির ছাগল পালন এবং গবেষণাকেন্দ্র। পল্লীশিক্ষা ভবনের উদ্যোগে ডেয়ারি প্রকল্পের পাশাপাশি গড়ে তোলা হবে এই নতুন ইউনিট। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন গবেষণার পরিসর বাড়বে। জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশে মথুরা থেকে যমুনাপুরি, বারবারি-সহ একাধিক উন্নত প্রজাতির ছাগল আনা হবে। স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সক্ষম এমন জাতের ছাগল পালনের পাশাপাশি উৎপাদনশীলতা ও পালন-পদ্ধতি নিয়ে গবেষণাও চালানো হবে।

    শনিবার বিশ্বভারতীর রথীন্দ্র কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র ও পল্লীশিক্ষা ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কৃষক সম্মান নিধি কর্মসূচি উপলক্ষে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে শান্তিনিকেতন সংলগ্ন এলাকার শতাধিক কৃষক অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য প্রবীর কুমার ঘোষ, রথীন্দ্রনাথ কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান সুব্রত মণ্ডল, দুবরাজপুরের বিধায়ক অনুপ সাহা এবং জেলার কৃষি দপ্তরের আধিকারিকরা। উপাচার্য প্রবীরকুমার ঘোষ জানান, ”বর্তমানে পল্লীশিক্ষা ভবনে সর্বভারতীয় স্তরের কোনও গবেষণা প্রকল্প নেই। সেই কারণেই প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিয়ে ডেয়ারি ইউনিটের পাশাপাশি দ্রুত ‘গোট ইউনিট’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিবেশের সঙ্গে খাপ খায় এমন উন্নত প্রজাতির ছাগল পালন করা হবে। এর মাধ্যমে গবেষণার কাজ যেমন এগোবে, তেমনই এলাকার কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়ে স্বনির্ভর করে তোলার চেষ্টা করা হবে।”

    এছাড়াও উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসি থেকে বিশেষ ধরনের ঘাস এবং খাদ্যশস্যের বীজ আনা হচ্ছে। ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে আরও একাধিক উন্নয়নমূলক ও গবেষণামূলক প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। উল্লেখ্য, শ্রীনিকেতনের গোশালায় উৎপাদিত দুধ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হোস্টেলের আবাসিক ছাত্রছাত্রীদের পুষ্টিকর খাদ্য হিসেবে সরবরাহ করা হচ্ছে। সেই উদ্যোগের সাফল্যের পর এবার গোশালার পাশাপাশি বিশ্বভারতীতে প্রথমবারের মতো ‘গোট ইউনিট’ স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এদিন প্রধানমন্ত্রী তাঁর পশ্চিমবঙ্গ সফরের সময় হুগলির তারকেশ্বর থেকে পিএম-কিষাণ সম্মান নিধির ২৩তম কিস্তির অর্থ দেশের কৃষকদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি হস্তান্তর করেন। 
  • Link to this news (প্রতিদিন)