সরকারি পালাবদলের পরেই শহর ও শহরতলি জুড়ে বিভিন্ন স্টশনগুলি থেকে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। এই আবহেই ভ্রাম্যমাণ ফুড স্টল চালু করার পরিকল্পনা পূর্ব রেলের শিয়ালদহ ডিভিশনের। বিভিন্ন স্টেশনগুলিতে ঢোকার পথে চুক্তির ভিত্তিতে স্টল বসানোর অনুমতি দেবে রেল। যে স্টলগুলি প্রয়োজন মতো ‘মুভ’ করা যাবে।
সূত্রের খবর, এই ভ্রাম্যমাণ স্টলগুলিতে দোতলা কাউন্টার থাকবে। নীচের তলায় থাকবে খাবার কিনে যাওয়ার (টেক অ্যাওয়ে কাউন্টার) ব্যবস্থা থাকবে। আর উপরতলায় কয়েকজনের বসে খাওয়ার জায়গা থাকবে। রেলের তরফে সমস্ত ভ্রাম্যমাণ গাড়ির নকশা অনুমোদন করা হয়েছে।
রেল কর্তাদের মতে, খাবারের দাম যাতে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে থাকে, সেদিকে নজর রাখা হবে। এছাড়াও এই স্টলগুলির মাধ্যমে বহু মানুষের রুটি-রুজির বন্দোবস্তও হবে বলে মনে করা হচ্ছে। খাবারের প্রকৃতি, গুণমান ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়গুলিতে প্রতিটি স্টলমালিককে রেলের শর্ত মেনে চলতে হবে। প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছরের জন্য এই স্টলগুলি বসানোর অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। শুরুর দিকে কলকাতা স্টেশন, শিয়ালদহ স্টেশনে দু’টি ভ্রাম্যমাণ স্টল বসানোর চিন্তাভাবনা করা হয়েছে। পরবর্তীতে অন্যান্য স্টেশনগুলিতে একই ব্যবস্থা চালু থাকবে।
এই প্রসঙ্গে রেলের এক আধিকারিক জানান, “যাত্রীদের আসা-যাওয়ার সময় অনুযায়ী স্টল খোলা রাখার সুযোগ রয়েছে। স্টলগুলি দেখতে অনেকটা ছোট আকারের বাসস্টপের মতো দেখতে হবে। চা, কফি সহ সবধরনের ইনস্ট্যান্ট ফুড পাওয়া যাবে। তৈরি করা খাবার বিক্রি করার সুবিধাও থাকবে।” তবে যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যের কথা মাথায় রেখে স্টেশন ঢোকা-বেরনোর রাস্তায় পর্যাপ্ত জায়গা রেখেই ফুড স্টলগুলি বসানো হবে। বিশেষ বা জরুরি পরিস্থিতিতে সেগুলিকে অন্যত্র সরানোর ব্যবস্থাও করা হবে।