• পঞ্চায়েত থেকে পুরসভা হবে কি? প্রতীক্ষা শুরু জয়গাঁয়, নজর বাজেট অধিবেশনে
    এই সময় | ২২ জুন ২০২৬
  • এই সময়, আলিপুরদুয়ার: পাশাপাশি দুই শহর। গেটের ও পারে ভুটানের ফুন্টসোলিং। এ পারে আলিপুরদুয়ারের সীমান্ত শহর জয়গাঁ। ও পারে আলো ঝলমলে রাস্তাঘাট, এ পারে দুয়োরানি জয়গাঁ এখনও সেই তিমিরে। ১৯৫৩-এর আগে ভারতের জয়গাঁ ও ভুটানের ফুন্টসোলিং মিলিয়ে ছিল বৃহত্তর 'চান্দকোনা'। পুব আকাশের কোণে পাহাড় ফুঁড়ে চাঁদ উঠত বলে জায়গাটির নাম হয় চান্দকোনা। কেউ কেউ অবশ্য কমলাহাট নামে ডাকতেন। কমলা লেবুর মরশুমে এখানেই হাট বসত, তাই ওই নাম। বছরের বাকি সময়ে চলত মাখনের ব্যবসা। ১৯৫৩-র পরে চান্দকোনা ভেঙে ভারতীয় জনপদের নাম হয় জয়গাঁ। আর ভুটানের ফুন্টসোলিং।

    সম্প্রতি কালচিনির বিজেপি বিধায়ক ও রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী বিশাল লামা বিধানসভার আসন্ন বাজেট অধিবেশনে জয়গাঁকে পুরসভার মর্যাদা দেওয়ার হবে বলে আশ্বাস দেওয়ায় ফের নতুন করে আশায় বুক বেঁধেছেন জয়গাঁর বাসিন্দারা। প্রস্তাবিত জয়গাঁ পুরসভা গঠিত হবে জয়গাঁ-১ ও ২ গ্রাম পঞ্চায়েত এবং দলসিংপাড়া পঞ্চায়েতকে নিয়ে। জনসংখ্যা ইতিমধ্যে ৬০ হাজার ছাড়িয়েছে। কয়েক বছরে জয়গাঁয় জনবিস্ফোরণ ঘটায় সমস্যা অনেক। ঘিঞ্জি ও খানাখন্দে ভরা রাস্তাঘাট, পানীয় জলের সমস্যা, পথবাতি তুলনায় অনেক কম। স্থায়ী ডাম্পিং গ্রাউন্ড না থাকায় বর্জ্য ঢালা হচ্ছে তোর্সা নদীর ধারে।

    জয়গাঁ মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রমাশঙ্কর গুপ্তা বলেন, 'পাশাপাশি দু'টি শহরকে দেখলেই বোঝা যায় যে জয়গাঁ কতটা পিছিয়ে আছে। এখন নতুন সরকার এসেছে। তাই আমরা চাইছি শহরটাকে নতুন করে সাজানো হোক। জয়গাঁর আন্তর্জাতিক গুরুত্বের কথা বিবেচনা করে পদক্ষেপের সময় এসেছে।' জয়গাঁ-২ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান অঞ্জু খাতুন বলেন, 'জয়গাঁর যা ব্যাপ্তি, আমরা আর পেরে উঠছি না। আমরা চাই জয়গাঁ পুরসভার আওতায় আসুক।'

  • Link to this news (এই সময়)