• ২৫০ থেকে মাত্র ১০০ পরিবার! তিস্তার করাল গ্রাসে কি মানচিত্র থেকে মুছে যাবে মাল ব্লকের টোটগাঁও?
    News18 বাংলা | ২২ জুন ২০২৬
  • : ২৫০ থেকে মাত্র ১০০! তিস্তার গ্রাসে হারিয়ে যাচ্ছে পুরো গ্রাম টোটগাঁও কি বিলীন হয়ে যাবে? একটা সময় প্রায় ২৫০টি পরিবারের বসবাস ছিল। এখন সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০০। বাকিটা গ্রাস করেছে তিস্তা। মাল ব্লকের বাগরাকোট এলাকার প্রত্যন্ত গ্রাম টোটগাঁও আজ ধীরে ধীরে হারিয়ে যাওয়ার পথে। জাতীয় সড়ক ১৭ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে এই গ্রাম একসময় ছিল সবুজে ঘেরা শান্ত আবাস।

    কৃষিকাজ আর পশুপালনেই চলত জীবন। কিন্তু বর্ষা এলেই বদলে যায় সবকিছু। গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া তিস্তা যেন প্রতি বছর একটু একটু করে কেড়ে নিচ্ছে মানুষের অস্তিত্ব। বিশেষ করে ২০২৩ সালের ৪ অক্টোবরের বন্যা আজও দুঃস্বপ্ন। সেবার ঘরবাড়ি, জমি, স্কুল, মন্দির কিছুই রক্ষা পায়নি। নদীগর্ভে তলিয়ে যায় বহু পরিবার। আজ গ্রামে ঢুকলে চোখে পড়ে ভাঙা দেওয়াল, ফাঁকা ভিটে…যেন নীরব সাক্ষী এক হারিয়ে যাওয়া জীবনের। অনেকেই এখন সুন্দরী বসতি বা ওয়াশাবাড়িতে ভাড়া বাড়িতে দিন কাটাচ্ছেন। বাকিরাও একে একে গ্রাম ছাড়ছেন। আতঙ্কে ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে টোটগাঁও।

    তবু লড়াই থামেনি। স্থায়ী বাঁধের দাবি বহু পুরনো, কিন্তু বাস্তবে কিছুই হয়নি। তাই এবার নিজেরাই বাঁশ কেটে ‘ত্রিকুঠি’ বানিয়ে অস্থায়ী বাঁধ তুলছেন গ্রামবাসীরা। যুবক থেকে প্রবীণ সকলেই নেমেছেন এই লড়াইয়ে। গ্রামের বাসিন্দা চন্দন ছেত্রী তিনি বলেন প্রতিবছর বর্ষা আসলেই এই সমস্যা আমাদের গ্রামের ফিরে আসে স্থানী বাঁধ হলে গ্রামের কিছুটা জল ঢুকবে না এতে অনেকটাই সমস্যা মিটবে বলে আশাবাদী গ্রামের বাসিন্দারা।

    অন্যদিকে সেখানকার কৃষক সুনাম ওঁরাও তিনি বলেন, এই এলাকাটা চাষাবাদের জন্য খুব উপযোগী, ভাল চাষাবাদ হয়। যদি একটা স্থায়ী বাঁধ  করা যেতে পারে তাহলে অনেকটাই সমস্যা মিটে আসবে বলে বলছেন সেখানকার বহু মানুষ এবং কৃষকেরা।
  • Link to this news (News18 বাংলা)