• লজ্জা কিসের? দু'বারের বিধায়কা হয়েও বদলান নি চন্দনা বাউরি, কোদাল-বেলচা হাতে সাফ করলেন হাসপাতাল
    News18 বাংলা | ২২ জুন ২০২৬
  • : কথায় আছে, মানুষের উন্নতি যতই হোক পা যেন মাটিতে থাকে। একসময় রুজি রোজগারের জন্য ‘দিন আনি দিন খাই’ অবস্থা ছিল চন্দনা বাউরীর। রাজনৈতিক সফলতার শিখরে পৌঁছেও তিনি এখনও রয়েছেন মাটির কাছেই। এমনই এক ছবি ধরা পড়ল বাঁকুড়ার বুকে। আবারও সেই চেনা ছন্দে যেন বিধায়ক চন্দনা।  নিজে হাতে কোদাল চালিয়ে ও মাথায় করে আবর্জনা বোঝাই ঝুড়ি বয়ে হাসপাতাল চত্বর সাফাই করলেন বাঁকুড়ার শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা বাউরী। সকালে বাঁকুড়ার মেজিয়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হাজির হয়ে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে একেবারে পেশাদার সাফাই কর্মীদের মতো করে হাসপাতাল চত্বর সাফাই করলেন শালতোড়ার ওই বিধায়ক।

    বিধায়ক হওয়ার আগে পেশায় রাজমিস্ত্রী স্বামী শাবন বাউরীর সঙ্গে জোগাড়ের কাজ করতেন চন্দনা বাউরী। ২০২১ ও ২০২৬ সালে পরপর দু’বার বিধানসভা নির্বাচনে শালতোড়া আসন থেকে জয়ী হয়ে বিধায়ক হলেও নিজের জীবনযাত্রার তেমন বদল ঘটেনি বিধায়ক চন্দনা বাউরীর।

    সম্প্রতি দেশ জুড়ে স্বচ্ছতার অভিযানের ডাক দেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যেও স্বচ্ছতা অভিযানের ডাক দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর সেই আহ্বানে এবার একেবারে পেশাদার সাফাইকর্মীর ভূমিকায় দেখা গেল শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা বাউরীকে। নিজে হাতে কোদাল চালিয়ে হাসপাতাল চত্বরে থাকা ঝোপ ঝাড় সাফ করতে দেখা যায় তাঁকে। সাফাই কাজের মাঝে মাথায় আবর্জনা বোঝাই ঝুড়ি বইতেও দেখা যায় বিধায়ককে। বিধায়ককে এভাবে সাফাই কাজে হাত লাগাতে দেখে দলের কর্মী সমর্থকরাও সাফাই কাজে হাত লাগান।

    এই প্রসঙ্গে চন্দনা বাউরী জানান, স্বচ্ছতা শুধু সরকারি কর্মসূচি নয়, এটি সকলের সামাজিক দায়িত্ব। সাধারণ মানুষকে সচেতন করতেই তিনি নিজে হাতে এই সাফাই অভিযানে নেমেছেন। একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষের পাশে থেকে কাজ করাই তাঁর মূল লক্ষ্য বলেও জানান তিনি। শালতোড়ার বিধায়ককে এভাবে মাটির মানুষ হিসেবেই আবারও দেখতে পেয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে প্রশংসার ঝড় উঠেছে।
  • Link to this news (News18 বাংলা)