আজকাল ওয়েবডেস্ক: এমন এক সময়ে বঙ্গে বিজেপি সরকার, যখন রাজ্য সরকারের উপর বিপুল অঙ্কের দেনা। ঋণ প্রায় ৮লক্ষ ১৫হাজার ৬৫১ কোটি টাকা। প্রতিমাসে ঋণের সুদ দিতে যায় বিপুল অর্থ। এই পরিস্থিতিতে কীভাবে সাধারণের স্বপ্ন পূরণের কাণ্ডারী হবেন স্বপন? স্বাস্থ্য-শিক্ষা-শিল্প-সামাজিক সুরক্ষা, কোন খাতে কতটা বরাদ্দ করবে সরকার? কোন ব্লু প্রিন্ট করেছেন অর্থমন্ত্রী? বাজেট পেশের আগের মুহূর্তেও চিরাচরিত মুচকি হেসে জানিয়েছিলেন, এবারের বাজেটে যেমন ধারাবাহিকতা রয়েছে, রয়েছে নতুনত্বও। অর্থাৎ, নতুন-পুরনোর মিশেলে হচ্ছে এবারের বাজেট।
প্রায় ৯০ মিনিটের বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। বাজেট পেশের শুরুতেই রাজ্যের অর্থমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, ঋণ প্রায় ৮লক্ষ ৫৫হাজার কোটি টাকা। প্রতিমাসে ঋণের সুদ দিতে যায় বিপুল অর্থ। কীভাবে এই পরিস্থিতিতে, বিপুল অর্থের বাজেট পেশ? কী দেখে, কোন পরিকল্পনাতেই ব্লু প্রিন্ট?
বাজেট পেশের পর, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, 'মোট ৪লক্ষ ৩৮ হাজার কোটির কিছু বেশি টাকার বাজেট পেশ করা হয়েছে। যে বাজেট কার্যত আমাদের আয়-ব্যায়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ফান্ড সোর্স, কোথা থেকে আমরা পেতে পারি এবং বিগত কয়েক বছরের জমাখরচের হিসেবকে সামনে রেখে পেশ করা হয়েছে।'
৩১ মার্চ ২০২৭ পর্যন্ত এই বাজেট। মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, পাঁচ শক্তিকে সামনে রেখেই বাজেটের মূল দিক নির্দিষ্ট করা হয়েছে। মোট ৪ লক্ষ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করা হয়েছে।
সঙ্গেই তিনি বলেন, এই বাজেটে পশ্চিমবঙ্গের ঐত্যিহ্য-সংস্কৃতি-হারিয়ে যাওয়া গরিমা, সময়ের ডাককে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'এই বাজেট এ রাজ্যের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ফিরিয়া আনার চেষ্টা করা হয়েছে। হারিয়ে যাওয়ার পশ্চিমবঙ্গের গরিমা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে।' একইসঙ্গে বলেন, 'আমাদের এই বাজেটে অগ্রাধিকার আছে পশ্চিমবঙ্গের সুরক্ষা নাগরিকদের মর্যাদা ভয় মুক্ত পরিবেশ এবং আমাদের সংস্কৃতি পুনরুদ্ধার সঙ্গে কর্মসংস্থান দুটি বিষয় অগ্রাধিকার পেয়েছেশিল্প এবং কৃষক কৃষি শিক্ষা স্বাস্থ্য কে উল্লেখযোগ্য কাজের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। আংশিক সময়ে চুক্তিভিত্তিক বিভিন্ন প্রজেক্ট এর কর্মরত এবং সর্বোপরি সরকারের সিদ্ধান্ত নীতি কার্যকর করার ক্ষেত্রে সরকারি কর্মচারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় তাদের ক্ষেত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।'