তবে কি এবার নদিয়া থেকেই যাওয়া যাবে উড়ান! কল্যাণীতে হতে চলেছে অত্যাধুনিক মানের এয়ারপোর্ট। এমনই খবর রাজ্য বাজেটে। সরকার গঠনের পরেই একাধিকবার কল্যাণীতে বিমানবন্দর নির্মাণের কথা উঠে এসেছে। এবার তাতেই সিলমোহর। দমদম, বাগডোগরা, অন্ডাল, ও কোচবিহারের পর এবার কল্যাণীতে হতে পারে আরও এক বিমানবন্দর এমনটাই খবর সূত্র মারফত।
রাজ্য বাজেটে কলকাতার দমদম বিমানবন্দরের উপর যাত্রী ও কার্গো চাপ কমাতে কল্যাণীর কাছে একটি নতুন গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দর (Greenfield Airport) তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, এই বিমানবন্দর প্রকল্পের জন্য কল্যাণীর আশেপাশে প্রায় ১,০০০ থেকে ১,৫০০ একর জমি চিহ্নিত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। রাজ্য সরকার বিমান পরিবহণ পরিকাঠামোর প্রাথমিক কাজের জন্য নির্দিষ্ট তহবিলও বরাদ্দ করেছে।
সোমবার তাঁর প্রথম বাজেট বক্তৃতায় এই ঘোষণা দেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। রাজ্য সরকার পুরুলিয়া, বালুরঘাট ও মালদায় নতুন বিমানবন্দর নির্মাণের প্রস্তাবও দিয়েছে। সোমবার বিধানসভায় রাজ্য বাজেট পেশ করার সময়, বাংলার অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের জন্য বিমানবন্দর পরিকাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট উন্নয়নমূলক কাজে সহায়তা করার উদ্দেশ্যে বিমান চলাচল খাতের জন্য ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছেন।
স্বপন দাশগুপ্ত বলেছেন, প্রস্তাবিত কল্যাণী বিমানবন্দরটির জন্য প্রায় ১,০০০ থেকে ১,৫০০ একর জমির প্রয়োজন হবে এবং কলকাতা মহানগর অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান যাত্রীর চাহিদা মেটানোর জন্য এর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সরকার কোচবিহারের বিমানবন্দরটি সম্প্রসারণেরও পরিকল্পনা করছে।
এছাড়াও, হাসিমারা ও কলাইকুণ্ডে ভারতীয় বিমানবাহিনীর ঘাঁটি সম্প্রসারণের জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকার অতিরিক্ত জমি প্রদান করবে। হাসিমারা বিমানঘাঁটির জন্য ২৫ একর এবং কলাইকুণ্ড বিমানঘাঁটির জন্য ৩৭ একর জমি বরাদ্দ করা হবে।
পুরুলিয়া, বালুরঘাট ও মালদায় প্রস্তাবিত বিমানবন্দরগুলোর লক্ষ্য হল আঞ্চলিক সংযোগ উন্নত করা এবং রাজ্যের বিভিন্ন অংশে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে সহায়তা করা।